ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনি তফসিলকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:২১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪১ বার পড়া হয়েছে

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলকে স্বাগত জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তফসিল ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এক বিবৃতিতে তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানান।

 

তারা বলেন, ঘোষিত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত সময় যা সচেতন রাজনৈতিক মহলের আগে থেকেই দাবি ছিল। তফসিলে ঘোষিত বিভিন্ন সময়সীমা যথার্থ হলেও একই দিন গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা একটি দুরূহ কাজ। এই ক্ষেত্রে বাজেট, দক্ষ জনবল ও ভোটারদের সচেতনতার সমন্বয় থাকতে হবে।

নেতৃদ্বয় মনে করেন, অন্যদিকে নির্বাচনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো প্রস্তুত নয়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পেশীশক্তির রাজনীতি ও কালো টাকার প্রভাবে রাজনৈতিক সহিংসতায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী লুট হওয়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আইন-শৃঙ্খলায় নিয়োজিত যৌথ বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা দৃশ্যমান নয়। পরাজিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী অপশক্তি এখনো ষড়যন্ত্র ও নাশকতায় লিপ্ত।

তারা বলেন, এমতাবস্থায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োগ করতে হবে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আমরা আশা রাখি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিরোধিতা না করে ভুল স্বীকারের আহবান রাশেদ খাঁনের

নির্বাচনি তফসিলকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

আপডেট সময় ০৯:২১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলকে স্বাগত জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তফসিল ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এক বিবৃতিতে তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানান।

 

তারা বলেন, ঘোষিত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত সময় যা সচেতন রাজনৈতিক মহলের আগে থেকেই দাবি ছিল। তফসিলে ঘোষিত বিভিন্ন সময়সীমা যথার্থ হলেও একই দিন গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা একটি দুরূহ কাজ। এই ক্ষেত্রে বাজেট, দক্ষ জনবল ও ভোটারদের সচেতনতার সমন্বয় থাকতে হবে।

নেতৃদ্বয় মনে করেন, অন্যদিকে নির্বাচনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো প্রস্তুত নয়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পেশীশক্তির রাজনীতি ও কালো টাকার প্রভাবে রাজনৈতিক সহিংসতায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী লুট হওয়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আইন-শৃঙ্খলায় নিয়োজিত যৌথ বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা দৃশ্যমান নয়। পরাজিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী অপশক্তি এখনো ষড়যন্ত্র ও নাশকতায় লিপ্ত।

তারা বলেন, এমতাবস্থায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োগ করতে হবে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আমরা আশা রাখি।