ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, শীর্ষ নেতা রাদকে হত্যার দাবি

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:৩২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৯ বার পড়া হয়েছে

 

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, শীর্ষ নেতা রাদকে হত্যার দাবি

গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যে এবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন-হামাস বা প্রতিরোধ যোদ্ধাদের শীর্ষ নেতা রাদ সাদকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইল। বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ভেতরে নজিরবিহীন হামলার নেপথ্য কারিগর ছিলেন এই হামাস নেতা।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী-আইডিএফ এবং নিরাপত্তা সংস্থা-আইএসএর যৌথ বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, হামাসের সামরিক শাখা কাসেম ব্রিগেডের শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার ছিলেন সাদ।

বলা হয়েছে, হামলার ভিডিওটি ১৩ ডিসেম্বরের। ওই হামলায় মোট চারজন নিহত হয়েছেন। নিয়মিত যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে ইসরাইলি বাহিনীর অবস্থানে হামলা পেছনেও তার ইন্ধন ছিলো বলে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া, হামাসের অস্ত্র তৈরির কারখানার মূল দায়িত্ব তার হাতে থাকায় অস্ত্র সংগ্রহ, তৈরি আর মজুদের মতো গুরুত্বপূর্ন বিষয়গুলো দেখতেন তিনি। হামাসের সামরিক শাখার সর্বোচ্চ নেতা ইজ আল-দ্বীনের ডেপুটি ছিলেন সাদ।

দ্য টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে জানানোর অলিখিত নিয়ম মানেনি ইসরাইল। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু আর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরাইল কাটজের নির্দেশে সাদকে হত্যার মিশন সম্পন্ন করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিরোধিতা না করে ভুল স্বীকারের আহবান রাশেদ খাঁনের

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, শীর্ষ নেতা রাদকে হত্যার দাবি

আপডেট সময় ০৮:৩২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

 

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, শীর্ষ নেতা রাদকে হত্যার দাবি

গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যে এবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন-হামাস বা প্রতিরোধ যোদ্ধাদের শীর্ষ নেতা রাদ সাদকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইল। বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ভেতরে নজিরবিহীন হামলার নেপথ্য কারিগর ছিলেন এই হামাস নেতা।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী-আইডিএফ এবং নিরাপত্তা সংস্থা-আইএসএর যৌথ বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, হামাসের সামরিক শাখা কাসেম ব্রিগেডের শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার ছিলেন সাদ।

বলা হয়েছে, হামলার ভিডিওটি ১৩ ডিসেম্বরের। ওই হামলায় মোট চারজন নিহত হয়েছেন। নিয়মিত যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে ইসরাইলি বাহিনীর অবস্থানে হামলা পেছনেও তার ইন্ধন ছিলো বলে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া, হামাসের অস্ত্র তৈরির কারখানার মূল দায়িত্ব তার হাতে থাকায় অস্ত্র সংগ্রহ, তৈরি আর মজুদের মতো গুরুত্বপূর্ন বিষয়গুলো দেখতেন তিনি। হামাসের সামরিক শাখার সর্বোচ্চ নেতা ইজ আল-দ্বীনের ডেপুটি ছিলেন সাদ।

দ্য টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে জানানোর অলিখিত নিয়ম মানেনি ইসরাইল। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু আর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরাইল কাটজের নির্দেশে সাদকে হত্যার মিশন সম্পন্ন করা হয়েছে।