ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে বাধ্য না করে ভারত ‘সঠিক মানবিক চেতনা’ অনুসরণ করেছে: শশী থারুর

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৬৬ বার পড়া হয়েছে

জুলাই বিপ্লবে পতনের পর ভারতে আশ্রয় নেওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন দেশটির প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা শশী থারুর।

গতকাল বুধবার ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে এ কথা বলেন তিনি।

কংগ্রেসের এমপি শশী থারুর বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে বাধ্য না করে ভারত ‘সঠিক মানবিক চেতনা’ অনুসরণ করেছে। কারণ তিনি ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধু ছিলেন ।

শশী থারুর বলেন, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে ভারত সঠিক মানবিক চেতনা অনুসরণ করে কাজ করেছে। কারণ বহু বছর ধরে যিনি ভারতের একজন ভালো বন্ধু, তাকে জোর করে ফেরত পাঠাতে পারে না ভারত।

তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রত্যর্পণ সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে জটিল আইনি বিধান, চুক্তি সম্পৃক্ত, যা শুধু গুটিকয়েক মানুষই পুরোপুরি বুঝতে পেরেছেন।

কংগ্রেসের এই নেতা বলেন, ‘আমি যথাযথ বিবেচনা করার বিষয়টি সরকারের ওপর ছেড়ে দেব। কিন্তু এরই মধ্যে যখন আমরা একজন ভালো বন্ধুর প্রতি আতিথেয়তা প্রদর্শন করছি, তখন আমার মনে হয় আমাদের তাকে নিরাপদে থাকতে দেওয়া উচিত যতক্ষণ না সরকার এসব বিষয় বিশদভাবে অধ্যয়ন করে।’

ঢাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাইযোদ্ধা শরীফ ওসমান হাদি হত্যার পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন টানাপোড়েনের মধ্যেই এসব কথা বললেন কংগ্রেসের এই জ্যেষ্ঠ নেতা।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে বাধ্য না করে ভারত ‘সঠিক মানবিক চেতনা’ অনুসরণ করেছে: শশী থারুর

আপডেট সময় ১১:৪২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

জুলাই বিপ্লবে পতনের পর ভারতে আশ্রয় নেওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন দেশটির প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা শশী থারুর।

গতকাল বুধবার ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে এ কথা বলেন তিনি।

কংগ্রেসের এমপি শশী থারুর বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে বাধ্য না করে ভারত ‘সঠিক মানবিক চেতনা’ অনুসরণ করেছে। কারণ তিনি ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধু ছিলেন ।

শশী থারুর বলেন, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে ভারত সঠিক মানবিক চেতনা অনুসরণ করে কাজ করেছে। কারণ বহু বছর ধরে যিনি ভারতের একজন ভালো বন্ধু, তাকে জোর করে ফেরত পাঠাতে পারে না ভারত।

তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রত্যর্পণ সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে জটিল আইনি বিধান, চুক্তি সম্পৃক্ত, যা শুধু গুটিকয়েক মানুষই পুরোপুরি বুঝতে পেরেছেন।

কংগ্রেসের এই নেতা বলেন, ‘আমি যথাযথ বিবেচনা করার বিষয়টি সরকারের ওপর ছেড়ে দেব। কিন্তু এরই মধ্যে যখন আমরা একজন ভালো বন্ধুর প্রতি আতিথেয়তা প্রদর্শন করছি, তখন আমার মনে হয় আমাদের তাকে নিরাপদে থাকতে দেওয়া উচিত যতক্ষণ না সরকার এসব বিষয় বিশদভাবে অধ্যয়ন করে।’

ঢাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাইযোদ্ধা শরীফ ওসমান হাদি হত্যার পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন টানাপোড়েনের মধ্যেই এসব কথা বললেন কংগ্রেসের এই জ্যেষ্ঠ নেতা।