ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রার্থী না হয়ে প্রার্থীদের সমন্বয় করাই এই মুহূর্তে অধিক গুরুত্বপূর্ণ: চরমোনাই পীর

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:২৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫০ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মাঠে থাকলেও দলটির আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) নিজে প্রার্থী হননি। সাংগঠনিক কৌশল এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, দলটির আমির শুরু থেকেই নির্বাচনে ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতির বিপরীতে নীতিনির্ভর ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতিকে প্রাধান্য দিয়ে আসছেন। সে ধারাবাহিকতায় সৈয়দ রেজাউল করীম মনে করেন, নেতৃত্বের আসনে থেকে সার্বিক নির্বাচন পরিচালনা ও প্রার্থীদের সমন্বয় করাই এই মুহূর্তে অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

 

দলটির কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি রেজাউল করীম জানান, ইসলামী আন্দোলনের আমির নির্বাচনে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নতুন নয়। অতীতেও বিভিন্ন নির্বাচনে তিনি প্রার্থী না হয়ে দলের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনার ভূমিকায় ছিলেন। এবারের নির্বাচনেও সেই নীতির ব্যত্যয় ঘটেনি।

 

আমিরের প্রার্থী না হওয়ার বিষয়ে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, ‘মুহতারাম আমিরের মূল লক্ষ্য ইসলামী শাসনব্যবস্থা ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার ধারণাকে জনগণের মাঝে পৌঁছে দেওয়া। তাই দলের সিদ্ধান্তে নির্বাচনে প্রার্থী না হয়ে তিনি নেতৃত্বের আসনে থেকে দলের সার্বিক দেখভাল করছেন। তিনি মনে করেন, নেতৃত্বের জায়গা থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এই সময়ে বেশি জরুরি।’

 

বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে মাঠে থাকলেও দলটির আমিরের নির্বাচন না করা একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত।

 

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে ২৭২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।

 

দলটির প্রচার ও দাওয়াহ বিভাগ জানায়, শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ ও ৬, নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল আউয়াল খুলনা-৩, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী ঢাকা-৪, মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ খুলনা-৪, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান গাজীপুর-৫, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম কুমিল্লা-২, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ঢাকা-১১, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান মুন্সীগঞ্জ-১, মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম কুমিল্লা-৩, সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের বরিশাল-৪ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক ঢাকা-৯ এ

মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

প্রার্থী না হয়ে প্রার্থীদের সমন্বয় করাই এই মুহূর্তে অধিক গুরুত্বপূর্ণ: চরমোনাই পীর

আপডেট সময় ০৯:২৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মাঠে থাকলেও দলটির আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) নিজে প্রার্থী হননি। সাংগঠনিক কৌশল এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, দলটির আমির শুরু থেকেই নির্বাচনে ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতির বিপরীতে নীতিনির্ভর ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতিকে প্রাধান্য দিয়ে আসছেন। সে ধারাবাহিকতায় সৈয়দ রেজাউল করীম মনে করেন, নেতৃত্বের আসনে থেকে সার্বিক নির্বাচন পরিচালনা ও প্রার্থীদের সমন্বয় করাই এই মুহূর্তে অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

 

দলটির কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি রেজাউল করীম জানান, ইসলামী আন্দোলনের আমির নির্বাচনে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নতুন নয়। অতীতেও বিভিন্ন নির্বাচনে তিনি প্রার্থী না হয়ে দলের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনার ভূমিকায় ছিলেন। এবারের নির্বাচনেও সেই নীতির ব্যত্যয় ঘটেনি।

 

আমিরের প্রার্থী না হওয়ার বিষয়ে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, ‘মুহতারাম আমিরের মূল লক্ষ্য ইসলামী শাসনব্যবস্থা ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার ধারণাকে জনগণের মাঝে পৌঁছে দেওয়া। তাই দলের সিদ্ধান্তে নির্বাচনে প্রার্থী না হয়ে তিনি নেতৃত্বের আসনে থেকে দলের সার্বিক দেখভাল করছেন। তিনি মনে করেন, নেতৃত্বের জায়গা থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এই সময়ে বেশি জরুরি।’

 

বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে মাঠে থাকলেও দলটির আমিরের নির্বাচন না করা একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত।

 

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে ২৭২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।

 

দলটির প্রচার ও দাওয়াহ বিভাগ জানায়, শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ ও ৬, নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল আউয়াল খুলনা-৩, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী ঢাকা-৪, মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ খুলনা-৪, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান গাজীপুর-৫, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম কুমিল্লা-২, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ঢাকা-১১, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান মুন্সীগঞ্জ-১, মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম কুমিল্লা-৩, সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের বরিশাল-৪ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক ঢাকা-৯ এ

মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।