কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির তথ্য গোপনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
মঙ্গলবার ৬ জানুয়ারি দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন তিনি।
সুষ্ঠু নির্বাচন বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে রাতে ভোট কিংবা অনিয়মের আশঙ্কার বিষয়টি আমরা নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেছি।
আপিল নিষ্পত্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে দাবি জানাচ্ছি, আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়। নির্বাচন কমিশনের আচরণে যদি কোনো বিশেষ দলের প্রতি দুর্বলতা বা সমঝোতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে এনসিপি বসে থাকবে না। প্রয়োজনে আমরা আবার রাজপথে নামতে বাধ্য হব।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, উদ্বেগজনক বিষয় হলো, একটি দলের চেয়ারম্যান দেশে ফেরার পর প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাদের দলীয় কার্যালয়ে যাতায়াত শুরু করেছে। এটি একটি অশনি সংকেত। জনরায় ঘোষণার আগেই এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এই কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে চিহ্নিত অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা নেই। সেই আস্থা অর্জন করতে হলে কমিশনকে তাদের নিরপেক্ষতা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। মাঠ প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষতা প্রমাণে ব্যর্থ হয়, তাহলে এটি যে একটি পাতানো নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে—সে প্রস্তুতি মাঠেই স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান বলেন, উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে সাক্ষাৎ করা। এটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য অশনি সংকেত। আমরা ফ্যাসিবাদের দোসরদের কোনোভাবেই নির্বাচনের মাধ্যমে পুনর্বাসন চাই না।




















