ঢাকা ০২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত্রদল যদি রাজনীতি করতে না পারে, এই মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ হয়ে যাবে: প্রশাসনকে বিএনপি নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১১ বার পড়া হয়েছে

এবার ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ থাকার সমালোচনা করে প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন। রোববার কলেজ মিলনায়তনে এক সভায় তিনি বলেন, ‘১২ তারিখ পর্যন্ত আমরা দেখতে চাই। ১২ তারিখের পরে যদি আমাদের এখানে সশরীর উপস্থিত হয়ে, এখানে স্বাভাবিক রাজনীতির চর্চা করতে দেওয়া না হয়, তাহলে কিন্তু ভয়ানক পরিস্থিতি হবে। আমার জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল যদি রাজনীতি করতে না পারে, এই ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে রাজনীতি বন্ধ করে দেব। ছাত্ররাজনীতি যদি বন্ধ হয়ে যায়, এই মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ হয়ে যাবে।’

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে এই দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ শাখা। ড্যাব ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ আসিফ উল আলম এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

এ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপি নেতা জুলফিকার হোসেন বলেন, ‘মেডিক্যালে রাজাকারের আশীর্বাদের রাজনীতি হবে আর মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, সংগঠক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজনীতি করতে পারবে না, এটা হইতে পারবে না, এটা হইতে দেব না। প্রয়োজনে বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে আবার ছাত্রদলে যোগ দেব। আলামত কিন্তু ভালো না।’

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর পর থেকে এ কলেজে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ রয়েছে। বক্তব্যের বিষয়ে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ খান মো. আরিফ বলেন, তিনি ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তবে জুলফিকার হোসেন তাঁর বক্তব্যে কী বলেছেন, তা তিনি ঠিক খেয়াল করতে উঠতে পারেননি।

এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা জুলফিকার হোসেন বলেন, তিনি ওই বক্তব্য দিয়েছেন মেডিক্যাল কলেজ প্রশাসন ও শিবিরকে চাপ দেওয়ার জন্য। আওয়ামী লীগ আমল থেকেই শিবির সক্রিয় মেডিক্যালে। এরা গুপ্তভাবে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান করে সাধারণ ছাত্রদের ব্যানারে। ২০২৪ সালের পটপরিবর্তনের পর শিবির ভূমিকা রেখে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে রেখেছে। এ কারণে ছাত্রদল মেডিক্যাল ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারছে না। আজকে ড্যাবের অনুষ্ঠানে শিক্ষক–নার্স এলেও শিবির সাধারণ ছাত্রদের আসতে দেয়নি। এ প্রেক্ষাপটে তিনি এ বক্তব্য দিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী নির্বাচনে দেশের মা-বোনেরা জামায়াতকে বেছে নেবে: শফিকুর রহমান

ছাত্রদল যদি রাজনীতি করতে না পারে, এই মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ হয়ে যাবে: প্রশাসনকে বিএনপি নেতা

আপডেট সময় ১২:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ থাকার সমালোচনা করে প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন। রোববার কলেজ মিলনায়তনে এক সভায় তিনি বলেন, ‘১২ তারিখ পর্যন্ত আমরা দেখতে চাই। ১২ তারিখের পরে যদি আমাদের এখানে সশরীর উপস্থিত হয়ে, এখানে স্বাভাবিক রাজনীতির চর্চা করতে দেওয়া না হয়, তাহলে কিন্তু ভয়ানক পরিস্থিতি হবে। আমার জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল যদি রাজনীতি করতে না পারে, এই ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে রাজনীতি বন্ধ করে দেব। ছাত্ররাজনীতি যদি বন্ধ হয়ে যায়, এই মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ হয়ে যাবে।’

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে এই দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ শাখা। ড্যাব ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ আসিফ উল আলম এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

এ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপি নেতা জুলফিকার হোসেন বলেন, ‘মেডিক্যালে রাজাকারের আশীর্বাদের রাজনীতি হবে আর মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, সংগঠক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজনীতি করতে পারবে না, এটা হইতে পারবে না, এটা হইতে দেব না। প্রয়োজনে বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে আবার ছাত্রদলে যোগ দেব। আলামত কিন্তু ভালো না।’

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর পর থেকে এ কলেজে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ রয়েছে। বক্তব্যের বিষয়ে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ খান মো. আরিফ বলেন, তিনি ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তবে জুলফিকার হোসেন তাঁর বক্তব্যে কী বলেছেন, তা তিনি ঠিক খেয়াল করতে উঠতে পারেননি।

এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা জুলফিকার হোসেন বলেন, তিনি ওই বক্তব্য দিয়েছেন মেডিক্যাল কলেজ প্রশাসন ও শিবিরকে চাপ দেওয়ার জন্য। আওয়ামী লীগ আমল থেকেই শিবির সক্রিয় মেডিক্যালে। এরা গুপ্তভাবে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান করে সাধারণ ছাত্রদের ব্যানারে। ২০২৪ সালের পটপরিবর্তনের পর শিবির ভূমিকা রেখে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে রেখেছে। এ কারণে ছাত্রদল মেডিক্যাল ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারছে না। আজকে ড্যাবের অনুষ্ঠানে শিক্ষক–নার্স এলেও শিবির সাধারণ ছাত্রদের আসতে দেয়নি। এ প্রেক্ষাপটে তিনি এ বক্তব্য দিয়েছেন।