ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২০১৮ সালের নির্বাচনে রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত সিল মারা সম্পন্ন হয়, পরামর্শ দেন জাবেদ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:২৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

গত ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৮০ শতাংশ ভোট আগের রাতেই ব্যালট বাক্সে ধরে রাখা হয়েছিল। রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত সিল মারার কাজটি সম্পন্ন হয়। সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও পুলিশ নৌকা প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে।

এদিকে পুলিশের তৎকালীন আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী শেখ হাসিনাকে রাতের বেলা ব্যালট বাক্স ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা এই পরামর্শটি গ্রহণ করেন এবং মাঠ পর্যায়ে পুলিশ প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা বাস্তবায়ন করে।

জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারক বিচারপতি শামীম হাসনাইনকে কমিশন প্রধান করে গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিশন সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নির্বাচনে ২১৩টি কেন্দ্রের শতভাগ ভোট পড়ে। ১২২টি কেন্দ্রে নিরানব্বই শতাংশ বা তার বেশি ভোট পড়ে। ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ ভোট পড়ে ৭ হাজার ৬৮৯টি কেন্দ্রে। তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভোটের দিন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে ব্যাপকভাবে বাধা দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে দেশে ফেরাতেই সংখ্যালঘুর বাড়িতে আগুন দেয় আ.লীগ: আদালতে স্বীকারোক্তি

২০১৮ সালের নির্বাচনে রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত সিল মারা সম্পন্ন হয়, পরামর্শ দেন জাবেদ

আপডেট সময় ১২:২৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

গত ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৮০ শতাংশ ভোট আগের রাতেই ব্যালট বাক্সে ধরে রাখা হয়েছিল। রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত সিল মারার কাজটি সম্পন্ন হয়। সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও পুলিশ নৌকা প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে।

এদিকে পুলিশের তৎকালীন আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী শেখ হাসিনাকে রাতের বেলা ব্যালট বাক্স ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা এই পরামর্শটি গ্রহণ করেন এবং মাঠ পর্যায়ে পুলিশ প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা বাস্তবায়ন করে।

জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারক বিচারপতি শামীম হাসনাইনকে কমিশন প্রধান করে গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিশন সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নির্বাচনে ২১৩টি কেন্দ্রের শতভাগ ভোট পড়ে। ১২২টি কেন্দ্রে নিরানব্বই শতাংশ বা তার বেশি ভোট পড়ে। ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ ভোট পড়ে ৭ হাজার ৬৮৯টি কেন্দ্রে। তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভোটের দিন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে ব্যাপকভাবে বাধা দেওয়া হয়।