ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসলামী আন্দোলন সরে যাওয়ায় ভোটের মাঠে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না: মামুনুল হক

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৫:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসলামী আন্দোলনের সরে যাওয়ার পেছনে তৃতীয় পক্ষের কোনও ইন্ধন নেই, বরং বোঝাপড়ার ঘাটতি থেকেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। তিনি বলেন, এতে ভোটের মাঠে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।

আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের বক্তব্যকে সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন খেলাফত মজলিসের আমির। তিনি বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা থেকে যে জোটের সূচনা হয়েছিল, আদর্শিক অবস্থান থেকে কেউ পিছপা হয়নি।

মামুনুল হক বলেন, নির্বাচনের আগে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে নতুন করে কোনও বৈঠকের সম্ভাবনা নেই। তবে তারা যদি আবার জোটে ফিরতে চায়, তাহলে সাদরে গ্রহণ করা হবে। আর যদি না আসে, তাহলে বাকি আসনগুলো শক্তিশালী অবস্থান ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, জোটের ভেতরে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদিতে ঈদ শুক্রবার

ইসলামী আন্দোলন সরে যাওয়ায় ভোটের মাঠে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না: মামুনুল হক

আপডেট সময় ০৫:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ইসলামী আন্দোলনের সরে যাওয়ার পেছনে তৃতীয় পক্ষের কোনও ইন্ধন নেই, বরং বোঝাপড়ার ঘাটতি থেকেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। তিনি বলেন, এতে ভোটের মাঠে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।

আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের বক্তব্যকে সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন খেলাফত মজলিসের আমির। তিনি বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা থেকে যে জোটের সূচনা হয়েছিল, আদর্শিক অবস্থান থেকে কেউ পিছপা হয়নি।

মামুনুল হক বলেন, নির্বাচনের আগে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে নতুন করে কোনও বৈঠকের সম্ভাবনা নেই। তবে তারা যদি আবার জোটে ফিরতে চায়, তাহলে সাদরে গ্রহণ করা হবে। আর যদি না আসে, তাহলে বাকি আসনগুলো শক্তিশালী অবস্থান ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, জোটের ভেতরে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।