ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানই হবেন আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী: এ.এম.এম বাহাউদ্দীন

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৩০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক এ.এম.এম বাহাউদ্দীন বলেছেন, আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য সরকার অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে লক্ষ্য অর্জনে এমন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে, যারা সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্ষম হবে। এজন্য তারেক রহমানের মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

 

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বাদ জোহর ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনীয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কংশেরকুল দরবার শরীফে আয়োজিত বড় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, “তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে পারলেই দেশ ও জাতি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।”

দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন গদীনশীল পীরে কামেল মাওলানা আসাদুজ্জামান। এতে স্থানীয় আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ.এম.এম বাহাউদ্দীন আরও বলেন, “বাংলাদেশ ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশ। এ দেশকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কোনো একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং আল্লাহর ওলিরাই বড় ভূমিকা রেখেছেন। এই জমিনে অসংখ্য আল্লাহর ওলি রয়েছেন, যাদের অবদান আমরা অনেক সময় অনুধাবন করতেও পারি না।”

 

বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে প্রচুর সম্পদ থাকা সত্ত্বেও গভীর অর্থনৈতিক সংকট বিরাজ করছে। পাশাপাশি কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠী সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “কোথাও মাজার ভাঙচুর, কোথাও কবর থেকে লাশ তুলে পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটছে। এসব কর্মকাণ্ড দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি।”

 

দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “ইসলামী মূল্যবোধ ও ইসলামি চেতনা বজায় রেখে বাংলাদেশে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন সঠিক, যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব—যার পেছনে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে পারে।”

দোয়া মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাহরাইনে এক বাংলাদেশি নিহত

তারেক রহমানই হবেন আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী: এ.এম.এম বাহাউদ্দীন

আপডেট সময় ১০:৩০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক এ.এম.এম বাহাউদ্দীন বলেছেন, আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য সরকার অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে লক্ষ্য অর্জনে এমন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে, যারা সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্ষম হবে। এজন্য তারেক রহমানের মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

 

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বাদ জোহর ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনীয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কংশেরকুল দরবার শরীফে আয়োজিত বড় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, “তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে পারলেই দেশ ও জাতি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।”

দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন গদীনশীল পীরে কামেল মাওলানা আসাদুজ্জামান। এতে স্থানীয় আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ.এম.এম বাহাউদ্দীন আরও বলেন, “বাংলাদেশ ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশ। এ দেশকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কোনো একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং আল্লাহর ওলিরাই বড় ভূমিকা রেখেছেন। এই জমিনে অসংখ্য আল্লাহর ওলি রয়েছেন, যাদের অবদান আমরা অনেক সময় অনুধাবন করতেও পারি না।”

 

বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে প্রচুর সম্পদ থাকা সত্ত্বেও গভীর অর্থনৈতিক সংকট বিরাজ করছে। পাশাপাশি কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠী সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “কোথাও মাজার ভাঙচুর, কোথাও কবর থেকে লাশ তুলে পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটছে। এসব কর্মকাণ্ড দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি।”

 

দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “ইসলামী মূল্যবোধ ও ইসলামি চেতনা বজায় রেখে বাংলাদেশে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন সঠিক, যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব—যার পেছনে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে পারে।”

দোয়া মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।