ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমি হাতজোড় করে বলছি, ভোটটা রক্ষা করবেন: রুমিন ফারহানা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:২৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন দিন আপনাদের আমি হাতজোড় করে অনুরোধ করছি সকাল সকাল কেন্দ্রে চলে যাবেন। পাশের বাড়ি, প্রতিবেশী মা-বোনেদের নিয়ে ভোট কেন্দ্রে চলে যাবেন। আপনারা ভোটটা রক্ষা করবেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে সরাইলের চুন্টা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামবাসী আয়োজিত উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। এলাকাবাসীর কাছে ৩০টা ঘণ্টা চেয়ে নিয়ে আলোচিত এই নারী নেত্রী বলেন, আগামী ১১ তারিখ সন্ধ্যা ৬টা থেকে থেকে ১২ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত আপনারা ভোটকেন্দ্রের আশপাশে থাকবেন। কোনও জাল ভোট, কোনও নির্বাচনী কারচুপি, কোনও ধরনের কারসাজি কেউ যেন না করতে পারে আপনারা পাহারায় থাকবেন।

এদিকে ভোট আপনাদের সিদ্ধান্তও আপনাদের জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, আপনারা যেভাবে বলবেন এমপি সেভাবেই কাজ করতে বাধ্য। আমি কোনও দলের এমপি হব না, আমি কোন বিশেষ গোষ্ঠীর এমপি হব না, আমি সরাইল-আশুগঞ্জের ৫ লাখ ভোটারের এমপি। সুতরাং আপনারা আমার নিয়োগদাতা, আপনারাই আমাকে বরখাস্ত করতে পারবেন। আমি যদি কাজ করি আপনারা আজ যেমন ভালোবেসে এনেছেন, আবারও আনবেন। আর যদি কাজ না করি তাহলে আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দেবেন। আর আপনাদের দরজায় ভোট চাইতে আসতে পারব না। কিন্তু আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হাতজোড় করে বলি ভোটটা আপনারা রক্ষা করবেন। ‘সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষ আমার প্রতি যেই ভালোবাসা, আস্থা, বিশ্বাস রেখেছেন, আমি আল্লাহর কাছে শুধু একটা দোয়া করি আল্লাহ তুমি এ বিশ্বাসের মর্যাদা দেয়ার ক্ষমতা আমাকে দিও। এই অবহেলিত মানুষদের উন্নয়ন যেন আল্লাহ তুমি আমাকে উছিলা করে দাও, এই এলাকার মানুষের উন্নয়ন যেনো আমি করতে পারি’, বলেন রুমিন ফারহানা।

দেশে যতগুলো উপজেলা আছে, তার মধ্যে সরাইল ও আশুগঞ্জের মতো এত অবহেলিত আর কোনো উপজেলা নেই দাবি করে তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ আমরা যদি এমপি নির্বাচিত হতে পারি এই দুটো উপজেলায় যে ১৭টা ইউনিয়ন আছে তার সঙ্গে বিজয়নগর উপজেলার দুটো ইউনিয়ন এখন আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এই ১৯টি ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ, কালভাট আমি এমনভাবে তৈরি করব, ইনশাল্লাহ আমি মডেল উপজেলা তৈরি করে ছাড়ব। তিনি আরও বলেন, সরকারি স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা বলেন কোথাও কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া নেই, আমাদের রাস্তাঘাটের যেমন বেহাল দশা তেমননি সরকারি স্বাস্থ্যসেবারও বেহাল দশা। আমি যদি শক্ত হাতে এই এলাকাকে একটা মডেল এলাকা করতে না পারি, তাহলে আমি আর কোনোদিন আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসব না।

রুমিন ফারহানা বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি একজন মানুষই ৪০ বছর এমপি হণ। আমি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলি, আমি যদি কাজ করতে না পারি পাঁচ বছরের বেশি সময় আপনারা আমাকে দিয়েন না। আমি যদি কাজ করি পাঁচ বছর পর আমাকে আবারও নির্বাচিত করবেন, আর যদি কাজ করতে না পারি তাহলে নির্বাচিত করার দরকার নেই। আপনারা জানেন ১৭টা বছর সংসদে আমি কীভাবে লড়াই করেছি, আপনারা জানেন হঠাৎ করে এখানে জোটপ্রার্থী কীভাবে এসেছেন। আমাকে সব বড় বড় দল, সেই সঙ্গে প্রশাসনের সঙ্গে একা লড়াই করতে হয়েছে কিন্তু আমি একা না; আমার সঙ্গে এত এত ভাই-বোনেরা রয়েছেন, আপনারা আমার শক্তি, আপনারা আমার সব কাজের উৎসাহ। আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন, আমি যেকোনো অসম্ভবকেই ইনশাল্লাহ করে দেখাতে পারব।তাং১৯.০১.২০২৬ইং

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি জোটের দুই আসনে প্রার্থীশূন্য, জামায়াতের সব বহাল

আমি হাতজোড় করে বলছি, ভোটটা রক্ষা করবেন: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ০৯:২৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন দিন আপনাদের আমি হাতজোড় করে অনুরোধ করছি সকাল সকাল কেন্দ্রে চলে যাবেন। পাশের বাড়ি, প্রতিবেশী মা-বোনেদের নিয়ে ভোট কেন্দ্রে চলে যাবেন। আপনারা ভোটটা রক্ষা করবেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে সরাইলের চুন্টা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামবাসী আয়োজিত উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। এলাকাবাসীর কাছে ৩০টা ঘণ্টা চেয়ে নিয়ে আলোচিত এই নারী নেত্রী বলেন, আগামী ১১ তারিখ সন্ধ্যা ৬টা থেকে থেকে ১২ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত আপনারা ভোটকেন্দ্রের আশপাশে থাকবেন। কোনও জাল ভোট, কোনও নির্বাচনী কারচুপি, কোনও ধরনের কারসাজি কেউ যেন না করতে পারে আপনারা পাহারায় থাকবেন।

এদিকে ভোট আপনাদের সিদ্ধান্তও আপনাদের জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, আপনারা যেভাবে বলবেন এমপি সেভাবেই কাজ করতে বাধ্য। আমি কোনও দলের এমপি হব না, আমি কোন বিশেষ গোষ্ঠীর এমপি হব না, আমি সরাইল-আশুগঞ্জের ৫ লাখ ভোটারের এমপি। সুতরাং আপনারা আমার নিয়োগদাতা, আপনারাই আমাকে বরখাস্ত করতে পারবেন। আমি যদি কাজ করি আপনারা আজ যেমন ভালোবেসে এনেছেন, আবারও আনবেন। আর যদি কাজ না করি তাহলে আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দেবেন। আর আপনাদের দরজায় ভোট চাইতে আসতে পারব না। কিন্তু আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হাতজোড় করে বলি ভোটটা আপনারা রক্ষা করবেন। ‘সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষ আমার প্রতি যেই ভালোবাসা, আস্থা, বিশ্বাস রেখেছেন, আমি আল্লাহর কাছে শুধু একটা দোয়া করি আল্লাহ তুমি এ বিশ্বাসের মর্যাদা দেয়ার ক্ষমতা আমাকে দিও। এই অবহেলিত মানুষদের উন্নয়ন যেন আল্লাহ তুমি আমাকে উছিলা করে দাও, এই এলাকার মানুষের উন্নয়ন যেনো আমি করতে পারি’, বলেন রুমিন ফারহানা।

দেশে যতগুলো উপজেলা আছে, তার মধ্যে সরাইল ও আশুগঞ্জের মতো এত অবহেলিত আর কোনো উপজেলা নেই দাবি করে তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ আমরা যদি এমপি নির্বাচিত হতে পারি এই দুটো উপজেলায় যে ১৭টা ইউনিয়ন আছে তার সঙ্গে বিজয়নগর উপজেলার দুটো ইউনিয়ন এখন আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এই ১৯টি ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ, কালভাট আমি এমনভাবে তৈরি করব, ইনশাল্লাহ আমি মডেল উপজেলা তৈরি করে ছাড়ব। তিনি আরও বলেন, সরকারি স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা বলেন কোথাও কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া নেই, আমাদের রাস্তাঘাটের যেমন বেহাল দশা তেমননি সরকারি স্বাস্থ্যসেবারও বেহাল দশা। আমি যদি শক্ত হাতে এই এলাকাকে একটা মডেল এলাকা করতে না পারি, তাহলে আমি আর কোনোদিন আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসব না।

রুমিন ফারহানা বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি একজন মানুষই ৪০ বছর এমপি হণ। আমি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলি, আমি যদি কাজ করতে না পারি পাঁচ বছরের বেশি সময় আপনারা আমাকে দিয়েন না। আমি যদি কাজ করি পাঁচ বছর পর আমাকে আবারও নির্বাচিত করবেন, আর যদি কাজ করতে না পারি তাহলে নির্বাচিত করার দরকার নেই। আপনারা জানেন ১৭টা বছর সংসদে আমি কীভাবে লড়াই করেছি, আপনারা জানেন হঠাৎ করে এখানে জোটপ্রার্থী কীভাবে এসেছেন। আমাকে সব বড় বড় দল, সেই সঙ্গে প্রশাসনের সঙ্গে একা লড়াই করতে হয়েছে কিন্তু আমি একা না; আমার সঙ্গে এত এত ভাই-বোনেরা রয়েছেন, আপনারা আমার শক্তি, আপনারা আমার সব কাজের উৎসাহ। আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন, আমি যেকোনো অসম্ভবকেই ইনশাল্লাহ করে দেখাতে পারব।তাং১৯.০১.২০২৬ইং