ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হজযাত্রীদের বাসে ইসরায়েলের হামলা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • ৬১৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিমতীরের জেনিনে হজযাত্রী বহনকারী বাসে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলের সেনারা। গত শনিবার (৩১ মে) জেনিনের বিভিন্ন জায়গায় রেইড দেয় ইসরায়েলি সেনারা। ওই সময় তাদের একটি সামরিক যান হজযাত্রীদের বাসে হামলা চালায়।

এদিকে বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, জেনিন গভর্নরেট ভবনের সামনে বাসটিতে হামলা হয়। ওই বাসে থাকা হজযাত্রীরা কারাম সীমান্ত হয়ে পশ্চিমতীর থেকে জর্ডানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এরপর জর্ডান থেকে সৌদিতে পৌঁছাতেন। বাসে যারা ছিলেন তাদের বেশিরভাগই বৃদ্ধ মানুষ ছিলেন।

ফিলিস্তিনি বার্তাসংস্থা ওয়াফা নিউজ জানিয়েছে, দখলদারদের সামরিক যানটি ইচ্ছাকৃতভাবে হজযাত্রীদের বাসে ধাক্কা দেয়।জেনিনের ডেপুটি গভর্নর মানসুর আল-সাদি ইসরায়েলি সেনাদের হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, “দখলদারদের যান ইচ্ছাকৃতভাবে এবং সরাসরি বাসটিতে ধাক্কা দিয়েছে। এটি গভর্নেন্ট ভবনের সামনে দাঁড়ানো ছিল। বাসের বেশিরভাগ যাত্রী ছিলেন বৃদ্ধ এবং অসুস্থ। তারা এ ঘটনায় আরও আতঙ্কিত ও ভীত হয়ে পড়েছেন।”

এদিকে দখলদার ইসরায়েল বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করায় পশ্চিমতীরের ফিলিস্তিনিরা জর্ডানের বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিশ্বের অন্যান্য দেশে যান। ওইদিন জেনিনের সিলাত-আল-হারিথিয়া শহরে সামির জারাদাত নামে এক তরুণের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে আটক করে ইসরায়েলি সেনারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শহরটি ছাড়ার আগে দখলদারা বিস্ফোরক ডিভাইসে বিস্ফোরণ ঘটায়।

পশ্চিমতীরের জেনিন, নাবলুসসহ অন্যান্য জায়গায় নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে দখলদাররা। বিশেষ করে ২০২৩ সালে হামাসের অপারেশন আল আকসা ফ্লাডের পর হামলার তীব্রতা বাড়ানো হয়েছে। গাজার পাশাপাশি পশ্চিমতীরেও ইসরায়েলি সেনার গণহারে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। সূত্র: আনাদোলু

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের পোস্ট

হজযাত্রীদের বাসে ইসরায়েলের হামলা

আপডেট সময় ১১:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

এবার ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিমতীরের জেনিনে হজযাত্রী বহনকারী বাসে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলের সেনারা। গত শনিবার (৩১ মে) জেনিনের বিভিন্ন জায়গায় রেইড দেয় ইসরায়েলি সেনারা। ওই সময় তাদের একটি সামরিক যান হজযাত্রীদের বাসে হামলা চালায়।

এদিকে বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, জেনিন গভর্নরেট ভবনের সামনে বাসটিতে হামলা হয়। ওই বাসে থাকা হজযাত্রীরা কারাম সীমান্ত হয়ে পশ্চিমতীর থেকে জর্ডানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এরপর জর্ডান থেকে সৌদিতে পৌঁছাতেন। বাসে যারা ছিলেন তাদের বেশিরভাগই বৃদ্ধ মানুষ ছিলেন।

ফিলিস্তিনি বার্তাসংস্থা ওয়াফা নিউজ জানিয়েছে, দখলদারদের সামরিক যানটি ইচ্ছাকৃতভাবে হজযাত্রীদের বাসে ধাক্কা দেয়।জেনিনের ডেপুটি গভর্নর মানসুর আল-সাদি ইসরায়েলি সেনাদের হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, “দখলদারদের যান ইচ্ছাকৃতভাবে এবং সরাসরি বাসটিতে ধাক্কা দিয়েছে। এটি গভর্নেন্ট ভবনের সামনে দাঁড়ানো ছিল। বাসের বেশিরভাগ যাত্রী ছিলেন বৃদ্ধ এবং অসুস্থ। তারা এ ঘটনায় আরও আতঙ্কিত ও ভীত হয়ে পড়েছেন।”

এদিকে দখলদার ইসরায়েল বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করায় পশ্চিমতীরের ফিলিস্তিনিরা জর্ডানের বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিশ্বের অন্যান্য দেশে যান। ওইদিন জেনিনের সিলাত-আল-হারিথিয়া শহরে সামির জারাদাত নামে এক তরুণের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে আটক করে ইসরায়েলি সেনারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শহরটি ছাড়ার আগে দখলদারা বিস্ফোরক ডিভাইসে বিস্ফোরণ ঘটায়।

পশ্চিমতীরের জেনিন, নাবলুসসহ অন্যান্য জায়গায় নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে দখলদাররা। বিশেষ করে ২০২৩ সালে হামাসের অপারেশন আল আকসা ফ্লাডের পর হামলার তীব্রতা বাড়ানো হয়েছে। গাজার পাশাপাশি পশ্চিমতীরেও ইসরায়েলি সেনার গণহারে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। সূত্র: আনাদোলু