ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ‘ফেভারিট’: দ্য ইকোনমিস্ট

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:১০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩৬ বার পড়া হয়েছে

এবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইকোনমিস্ট বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনেফেভারিটবা সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে অভিহিত করেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই সাপ্তাহিক সাময়িকীদ্য নিউ বাংলাদেশ ইজ অনলি হাফ বিল্টশিরোনামে এক আর্টিকেলে বলেছে, ‘জয়ের জন্য বিএনপি ফেভারিট এতে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বর্তমানে তার ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে রয়েছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত; ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হচ্ছে। কয়েক মাস ধরে পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করেছিলেন, সহিংসতা ছড়িয়ে পড়বে। এখন পর্যন্ত তাদের আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত দুটি দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত দলের মধ্যে হবে, উভয় দলকেই আগের সরকার নিপীড়ন করেছে। আর্টিকেলে জামায়াতে ইসলামীকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উল্লেখ করে এটিকে বাংলাদেশেরসবচেয়ে বড় ও মধ্যপন্থী ইসলামপন্থী দলহিসেবে অভিহিত করেছে।

তবে বিএনপিকেফেভারিট দলহিসেবে উল্লেখ করা হয়। দ্য ইকোনমিস্ট মন্তব্য করেছে, বাংলাদেশ কেবল তখনই সমৃদ্ধ হবে যদি দেশটি সংস্কারের প্রতি তার উদ্দীপনা বজায় রাখে এবং এতেযেই জিতুক না কেন, অনেক কাজ করতে হবে।বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশীয় এই দেশের সবচেয়ে বেশি জরুরি বিষয় হলো অর্থনীতি। এতে বলা হয়েছে, নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকেবিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছে’, তবে বড় পরিবর্তন প্রয়োজন। এ বছর দেশটি বাণিজ্য ও রেয়াতি ঋণের সুবিধা ভোগকারী স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে।

বিশ্লেষণে বলা হয়, দেশটির কারখানাগুলোকে আরো দক্ষতাসম্পন্ন করতে হবে। সরকারি রাজস্ব বাড়াতে হবে, যা বর্তমানে জিডিপির ৭ শতাংশ, অথচ এশিয়াজুড়ে তা ২০ শতাংশ। এ ছাড়া লাল ফিতার দৌরাত্ম্য দূর করতে হবে এবং যারা ব্যবসাকে জিম্মি করে রাখেএমন দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্য ইকোনমিস্ট বলেছে, ‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ।গণমাধ্যমটি পর্যবেক্ষণ করেছে, ভারতীয় কর্মকর্তারা যখনভুলভাবে বাংলাদেশকে হিন্দু বিরোধীহিসেবে চিত্রিত করে, তখন বাংলাদেশিরা ক্ষুব্ধ হন। এতে লেখা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক সংস্কার পুনর্গঠন করা। দ্য ইকোনমিস্ট বলেছে, ‘নির্বাচন একটি মাইলফলকের সূচনা, নতুন বাংলাদেশ গড়ার কঠিন কাজ কেবল শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ‘ফেভারিট’: দ্য ইকোনমিস্ট

আপডেট সময় ১০:১০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইকোনমিস্ট বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনেফেভারিটবা সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে অভিহিত করেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই সাপ্তাহিক সাময়িকীদ্য নিউ বাংলাদেশ ইজ অনলি হাফ বিল্টশিরোনামে এক আর্টিকেলে বলেছে, ‘জয়ের জন্য বিএনপি ফেভারিট এতে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বর্তমানে তার ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে রয়েছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত; ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হচ্ছে। কয়েক মাস ধরে পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করেছিলেন, সহিংসতা ছড়িয়ে পড়বে। এখন পর্যন্ত তাদের আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত দুটি দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত দলের মধ্যে হবে, উভয় দলকেই আগের সরকার নিপীড়ন করেছে। আর্টিকেলে জামায়াতে ইসলামীকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উল্লেখ করে এটিকে বাংলাদেশেরসবচেয়ে বড় ও মধ্যপন্থী ইসলামপন্থী দলহিসেবে অভিহিত করেছে।

তবে বিএনপিকেফেভারিট দলহিসেবে উল্লেখ করা হয়। দ্য ইকোনমিস্ট মন্তব্য করেছে, বাংলাদেশ কেবল তখনই সমৃদ্ধ হবে যদি দেশটি সংস্কারের প্রতি তার উদ্দীপনা বজায় রাখে এবং এতেযেই জিতুক না কেন, অনেক কাজ করতে হবে।বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশীয় এই দেশের সবচেয়ে বেশি জরুরি বিষয় হলো অর্থনীতি। এতে বলা হয়েছে, নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকেবিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছে’, তবে বড় পরিবর্তন প্রয়োজন। এ বছর দেশটি বাণিজ্য ও রেয়াতি ঋণের সুবিধা ভোগকারী স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে।

বিশ্লেষণে বলা হয়, দেশটির কারখানাগুলোকে আরো দক্ষতাসম্পন্ন করতে হবে। সরকারি রাজস্ব বাড়াতে হবে, যা বর্তমানে জিডিপির ৭ শতাংশ, অথচ এশিয়াজুড়ে তা ২০ শতাংশ। এ ছাড়া লাল ফিতার দৌরাত্ম্য দূর করতে হবে এবং যারা ব্যবসাকে জিম্মি করে রাখেএমন দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্য ইকোনমিস্ট বলেছে, ‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ।গণমাধ্যমটি পর্যবেক্ষণ করেছে, ভারতীয় কর্মকর্তারা যখনভুলভাবে বাংলাদেশকে হিন্দু বিরোধীহিসেবে চিত্রিত করে, তখন বাংলাদেশিরা ক্ষুব্ধ হন। এতে লেখা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক সংস্কার পুনর্গঠন করা। দ্য ইকোনমিস্ট বলেছে, ‘নির্বাচন একটি মাইলফলকের সূচনা, নতুন বাংলাদেশ গড়ার কঠিন কাজ কেবল শুরু হয়েছে।