এবার কুমিল্লা–৪ (দেবীদ্বার) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। ভোটারদের হুমকি দেয়ার অভিযোগে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার মধ্যে তাকে লিখিত বক্তব্যসহ উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা–৪ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি থেকে জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ তাফরিমা তাবাসুম এ নির্দেশ প্রদান করেন। দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল মুন্সীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয়ার প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে বিএনপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। কুমিল্লা–৪ আসনে বর্তমানে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন– হাসনাত আবদুল্লাহ (শাপলা কলি)- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট প্রার্থী। মো. জসিম উদ্দিন (ট্রাক)- গণঅধিকার পরিষদ ও বিএনপি জোট প্রার্থী। ইরফানুল হক সরকার (আপেল)- ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ। মো. আব্দুল করিম (হাতপাখা)- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
কুমিল্লা–৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে যাচাই–বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বৈধ হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন– নির্বাচন কমিশনে এমন অভিযোগে আপিল করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। এতে শুনানিতে প্রার্থিতা হারান মুন্সী। এরপর হাইকোর্ট রিট এবং সর্বশেষ প্রার্থিতা ফিরে পেতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করলেও সেটিও ১ ফেব্রুয়ারি খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। এতে আর নির্বাচন করতে পারছেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। বর্তমানে বিএনপি জোটের প্রার্থী জসিম উদ্দিনের (ট্রাক প্রতীক) পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন।






















