ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ থেকে জাতীয় সংসদে নুর ও আখতার

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

এবার ছাত্ররাজনীতির চিরচেনা আঙিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) থেকে এবার জাতীয় রাজনীতির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় সংসদে পা রাখছেন নুরুল হক নুর এবং আখতার হোসেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ প্রজন্মের এই দুই প্রতিনিধি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়ে দেশের সংসদীয় রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।

ডাকসু নির্বাচনে ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে নুরুল হক নুর সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন। অন্যদিকে, ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে আখতার হোসেন তার সাহসী নেতৃত্বের প্রমাণ দিয়েছেন বারবার। রাজপথের আন্দোলন আর নীতিআদর্শের লড়াই শেষে এবার তারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে মহান সংসদে নিজেদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার সুযোগ পেলেন। তরুণ এই দুই নেতার সংসদীয় রাজনীতিতে পদার্পণকে দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটাররা।

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনের পর নুরুল হক নুর প্রথমে শিক্ষার্থী অধিকার পরিষদ, পরবর্তীকালে ছাত্র অধিকার পরিষদ গঠন করেন। একপর্যায়ে তিনি গণঅধিকার পরিষদ নামের রাজনৈতিক দল গঠন করেন। সংসদ নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক পটুয়াখালী৩ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতীক ছিল ট্রাক।

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন রংপুর৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আর পঞ্চগড়১ আসনে নির্বাচন করেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি ২০১৯ সালের ডাকসুর একটি হল সংসদে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সারজিস বিএনপির প্রার্থী নওশাদ জমিরের কাছে হেরেছেন। ২০১৯ সালের ডাকসুর জিএস প্রার্থী মুহাম্মদ রাশেদ খান নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ঝিনাইদহ৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গেছেন।

এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি একাই জয় পেয়েছে ২০৯টি। জোটের শরিকেরা পেয়েছে আরও ৩টি আসন। সব মিলিয়ে পরবর্তী সংসদে বিএনপি জোটের আসনসংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২১২। তবে আরও দুটি আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা আছে বিএনপির।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণকে কনভেন্স করাই হচ্ছে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান

বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ থেকে জাতীয় সংসদে নুর ও আখতার

আপডেট সময় ০৯:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার ছাত্ররাজনীতির চিরচেনা আঙিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) থেকে এবার জাতীয় রাজনীতির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় সংসদে পা রাখছেন নুরুল হক নুর এবং আখতার হোসেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ প্রজন্মের এই দুই প্রতিনিধি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়ে দেশের সংসদীয় রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।

ডাকসু নির্বাচনে ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে নুরুল হক নুর সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন। অন্যদিকে, ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে আখতার হোসেন তার সাহসী নেতৃত্বের প্রমাণ দিয়েছেন বারবার। রাজপথের আন্দোলন আর নীতিআদর্শের লড়াই শেষে এবার তারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে মহান সংসদে নিজেদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার সুযোগ পেলেন। তরুণ এই দুই নেতার সংসদীয় রাজনীতিতে পদার্পণকে দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটাররা।

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনের পর নুরুল হক নুর প্রথমে শিক্ষার্থী অধিকার পরিষদ, পরবর্তীকালে ছাত্র অধিকার পরিষদ গঠন করেন। একপর্যায়ে তিনি গণঅধিকার পরিষদ নামের রাজনৈতিক দল গঠন করেন। সংসদ নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক পটুয়াখালী৩ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতীক ছিল ট্রাক।

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন রংপুর৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আর পঞ্চগড়১ আসনে নির্বাচন করেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি ২০১৯ সালের ডাকসুর একটি হল সংসদে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সারজিস বিএনপির প্রার্থী নওশাদ জমিরের কাছে হেরেছেন। ২০১৯ সালের ডাকসুর জিএস প্রার্থী মুহাম্মদ রাশেদ খান নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ঝিনাইদহ৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গেছেন।

এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি একাই জয় পেয়েছে ২০৯টি। জোটের শরিকেরা পেয়েছে আরও ৩টি আসন। সব মিলিয়ে পরবর্তী সংসদে বিএনপি জোটের আসনসংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২১২। তবে আরও দুটি আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা আছে বিএনপির।