ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইফতারের আগে যেভাবে চাইলে রোজাদারের দোয়া কবুল হয়

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৫:২৫:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬২৪ বার পড়া হয়েছে

এবার রমজান মাসে ইফতারের সময়টি রোজাদারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ মুহূর্ত। সারাদিন সিয়াম সাধনার পর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা সুন্নত। অনেকেই জানতে চান ইফতারের দোয়া ঠিক কখন পড়তে হয়। ইসলামি বিধান অনুযায়ী সূর্যাস্ত নিশ্চিত হওয়ার পর ইফতার শুরু করতে হয় এবং ইফতার করার ঠিক আগে বা প্রথম লোকমা গ্রহণের সময় দোয়া পড়া উত্তম।

হাদিসে উল্লেখ আছে, ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া কবুল হয়, তাই এ সময় বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তেগফার করা উচিত। প্রচলিত দোয়া হলো, “আল্লাহুম্মা ইন্নি লাকা সুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা আফতারতুঅর্থাৎ, ‘হে আল্লাহ! আমি আপনারই জন্য রোজা রেখেছি এবং আপনার দেওয়া রিজিক দিয়েই ইফতার করছি।

এছাড়াযাহাবাজ জামাউ ওয়াবতাল্লাতিল উরুকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহদোয়াটিও পড়া হয়, যার অর্থতৃষ্ণা দূর হলো, শিরাউপশিরা সিক্ত হলো এবং ইনশাআল্লাহ সওয়াব স্থির হলো।ইফতারের সঠিক নিয়মের মধ্যে রয়েছে সময়মতো ইফতার করা, অযথা দেরি না করা এবং খেজুর বা পানি দিয়ে ইফতার শুরু করা।

হাদিস অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ (সা.) খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন; খেজুর না থাকলে পানি দিয়ে ইফতার করতেন। একই সঙ্গে ইফতারের সময় অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ না করে সংযম বজায় রাখা এবং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, ইফতারের মুহূর্ত শুধু খাদ্য গ্রহণের সময় নয়, বরং এটি দোয়া কবুলের একটি বিশেষ সময়। তাই এ সময় অযথা ব্যস্ততা বা আড্ডায় না কাটিয়ে ইবাদত, জিকির ও দোয়ায় মনোনিবেশ করা উচিত। পাশাপাশি কোনো রোজাদারকে ইফতার করানোও অত্যন্ত সওয়াবের কাজ, যা রমজানের সৌন্দর্য ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও শক্তিশালী করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক আইআরজিসি প্রধান কেন চান যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘স্থল আক্রমণ’ চালাক

ইফতারের আগে যেভাবে চাইলে রোজাদারের দোয়া কবুল হয়

আপডেট সময় ০৫:২৫:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার রমজান মাসে ইফতারের সময়টি রোজাদারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ মুহূর্ত। সারাদিন সিয়াম সাধনার পর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা সুন্নত। অনেকেই জানতে চান ইফতারের দোয়া ঠিক কখন পড়তে হয়। ইসলামি বিধান অনুযায়ী সূর্যাস্ত নিশ্চিত হওয়ার পর ইফতার শুরু করতে হয় এবং ইফতার করার ঠিক আগে বা প্রথম লোকমা গ্রহণের সময় দোয়া পড়া উত্তম।

হাদিসে উল্লেখ আছে, ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া কবুল হয়, তাই এ সময় বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তেগফার করা উচিত। প্রচলিত দোয়া হলো, “আল্লাহুম্মা ইন্নি লাকা সুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা আফতারতুঅর্থাৎ, ‘হে আল্লাহ! আমি আপনারই জন্য রোজা রেখেছি এবং আপনার দেওয়া রিজিক দিয়েই ইফতার করছি।

এছাড়াযাহাবাজ জামাউ ওয়াবতাল্লাতিল উরুকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহদোয়াটিও পড়া হয়, যার অর্থতৃষ্ণা দূর হলো, শিরাউপশিরা সিক্ত হলো এবং ইনশাআল্লাহ সওয়াব স্থির হলো।ইফতারের সঠিক নিয়মের মধ্যে রয়েছে সময়মতো ইফতার করা, অযথা দেরি না করা এবং খেজুর বা পানি দিয়ে ইফতার শুরু করা।

হাদিস অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ (সা.) খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন; খেজুর না থাকলে পানি দিয়ে ইফতার করতেন। একই সঙ্গে ইফতারের সময় অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ না করে সংযম বজায় রাখা এবং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, ইফতারের মুহূর্ত শুধু খাদ্য গ্রহণের সময় নয়, বরং এটি দোয়া কবুলের একটি বিশেষ সময়। তাই এ সময় অযথা ব্যস্ততা বা আড্ডায় না কাটিয়ে ইবাদত, জিকির ও দোয়ায় মনোনিবেশ করা উচিত। পাশাপাশি কোনো রোজাদারকে ইফতার করানোও অত্যন্ত সওয়াবের কাজ, যা রমজানের সৌন্দর্য ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও শক্তিশালী করে।