ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একুশে পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৭৮ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতীয় জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় গৌরবোজ্জ্বল অবদান রেখেছেন, তাদেরকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননাএকুশে পদক২০২৬প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি তুলে দেন তিনি। দেশের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠানকেএকুশে পদক২০২৬প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

তাঁরা হলেন, অভিনয় ক্যাটাগরিতে ফরিদা আক্তার ববিতা। চারুকলায় নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার। স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম। সংগীতে মরণোত্তর সম্মাননা পান আইয়ুব বাচ্চু। নৃত্যে অর্থি আহমেদ এবং পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকারকে এই বিশিষ্ট সম্মানে ভূষিত করা হয়। এছাড়াও সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান। শিক্ষাক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস। একইসঙ্গে, সংগীতাঙ্গনে অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

প্রসঙ্গত, একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক দেয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

একুশে পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার জাতীয় জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় গৌরবোজ্জ্বল অবদান রেখেছেন, তাদেরকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননাএকুশে পদক২০২৬প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি তুলে দেন তিনি। দেশের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠানকেএকুশে পদক২০২৬প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

তাঁরা হলেন, অভিনয় ক্যাটাগরিতে ফরিদা আক্তার ববিতা। চারুকলায় নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার। স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম। সংগীতে মরণোত্তর সম্মাননা পান আইয়ুব বাচ্চু। নৃত্যে অর্থি আহমেদ এবং পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকারকে এই বিশিষ্ট সম্মানে ভূষিত করা হয়। এছাড়াও সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান। শিক্ষাক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস। একইসঙ্গে, সংগীতাঙ্গনে অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

প্রসঙ্গত, একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক দেয়া হচ্ছে।