ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জিতছি দেখে স্টারমার এখন যুদ্ধে যোগ দিতে চান, তার দরকার নেই: ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০১:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩৯ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পাঠানো সামরিক সহায়তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ব্রিটিশ বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর আর কোনো প্রয়োজন নেই। গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) এই মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্পের এই কঠোর বার্তার আগে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তাদের প্রধান দুটি রণতরির একটিএইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। তবে ট্রাম্প যুক্তরাজ্যকেএকসময়ের মহান মিত্রহিসেবে অভিহিত করে খোঁচা দিয়ে লিখেছেন, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর যারা যোগ দিতে আসে, তাদের এখন আর দরকার নেই। এই মন্তব্যে দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত ইরানে আনুমানিক ১ হাজার ৩৩২ জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৬ জন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহলে এই যুদ্ধ নিয়ে আইনি প্রশ্ন থাকলেও ব্রিটিশ সরকার তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই বিশাল ব্যবধানে জয়ী হচ্ছে এবং ইরানেরদুষ্ট সাম্রাজ্যধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানো হবে কি না, সে বিষয়ে ট্রাম্প কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না জানালেও তিনি হতাহতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেননি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে মার্কিন সেনার প্রাণহানি আরও বাড়তে পারে। ট্রাম্পের ধারণা, এই যুদ্ধ আরও চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। তবে এই সামরিক অভিযান তাঁরমাগা’ (MAGA) সমর্থকদের মধ্যেও বিভাজন তৈরি করেছে, কারণ নির্বাচনের সময় তিনিঅন্তহীন যুদ্ধনা জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

জিতছি দেখে স্টারমার এখন যুদ্ধে যোগ দিতে চান, তার দরকার নেই: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০১:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

এবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পাঠানো সামরিক সহায়তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ব্রিটিশ বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর আর কোনো প্রয়োজন নেই। গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) এই মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্পের এই কঠোর বার্তার আগে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তাদের প্রধান দুটি রণতরির একটিএইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। তবে ট্রাম্প যুক্তরাজ্যকেএকসময়ের মহান মিত্রহিসেবে অভিহিত করে খোঁচা দিয়ে লিখেছেন, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর যারা যোগ দিতে আসে, তাদের এখন আর দরকার নেই। এই মন্তব্যে দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত ইরানে আনুমানিক ১ হাজার ৩৩২ জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৬ জন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহলে এই যুদ্ধ নিয়ে আইনি প্রশ্ন থাকলেও ব্রিটিশ সরকার তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই বিশাল ব্যবধানে জয়ী হচ্ছে এবং ইরানেরদুষ্ট সাম্রাজ্যধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানো হবে কি না, সে বিষয়ে ট্রাম্প কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না জানালেও তিনি হতাহতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেননি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে মার্কিন সেনার প্রাণহানি আরও বাড়তে পারে। ট্রাম্পের ধারণা, এই যুদ্ধ আরও চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। তবে এই সামরিক অভিযান তাঁরমাগা’ (MAGA) সমর্থকদের মধ্যেও বিভাজন তৈরি করেছে, কারণ নির্বাচনের সময় তিনিঅন্তহীন যুদ্ধনা জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।