ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলে অত্যাধুনিক ক্লাস্টার ওয়ারহেড ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৩:১২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ২৮তম দফার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যার এই অভিযানে প্রথমবারের মতোকদর’ (Qadr) ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গেক্লাস্টার ওয়ারহেড’ (গুচ্ছ বোমা) ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই হামলাকে রণক্ষেত্রে ইরানের পক্ষ থেকে এক বিরল ও শক্তিশালী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এছাড়া প্রায় এক টন ওজনের ভারী ওয়ারহেড সমৃদ্ধইমাদক্ষেপণাস্ত্রও এই অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিপূর্বে খায়বার ও খুররামশাহর ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার ওয়ারহেড দেখা গেলেও কদর ক্ষেপণাস্ত্রে এর ব্যবহার তুলনামূলকভাবে নতুন ও কৌশলগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রকাশিত বিভিন্ন চিত্র ও ইসরায়েলি টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই দফায় অন্তত ২০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে, যা পূর্ববর্তী দিনগুলোর তুলনায় হামলার তীব্রতা বৃদ্ধির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। ইসরায়েলি গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে এই হামলার ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দলগুলোকে পরিস্থিতি সামাল দিতে চরম ব্যস্ত সময় পার করতে হয়েছে।

মূলত গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোতে চালানো ব্যাপক বিমান হামলার প্রতিবাদেই এই পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

ইসরায়েলে অত্যাধুনিক ক্লাস্টার ওয়ারহেড ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

আপডেট সময় ০৩:১২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ২৮তম দফার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যার এই অভিযানে প্রথমবারের মতোকদর’ (Qadr) ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গেক্লাস্টার ওয়ারহেড’ (গুচ্ছ বোমা) ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই হামলাকে রণক্ষেত্রে ইরানের পক্ষ থেকে এক বিরল ও শক্তিশালী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এছাড়া প্রায় এক টন ওজনের ভারী ওয়ারহেড সমৃদ্ধইমাদক্ষেপণাস্ত্রও এই অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিপূর্বে খায়বার ও খুররামশাহর ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার ওয়ারহেড দেখা গেলেও কদর ক্ষেপণাস্ত্রে এর ব্যবহার তুলনামূলকভাবে নতুন ও কৌশলগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রকাশিত বিভিন্ন চিত্র ও ইসরায়েলি টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই দফায় অন্তত ২০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে, যা পূর্ববর্তী দিনগুলোর তুলনায় হামলার তীব্রতা বৃদ্ধির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। ইসরায়েলি গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে এই হামলার ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দলগুলোকে পরিস্থিতি সামাল দিতে চরম ব্যস্ত সময় পার করতে হয়েছে।

মূলত গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোতে চালানো ব্যাপক বিমান হামলার প্রতিবাদেই এই পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি