ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাদির হত্যাকারীদের ফেরত পাঠানো নিয়ে যা বলল ভারত

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৭:১০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটক করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

গ্রেপ্তারের পর তাদের ভারতের আদালতে হাজির করা হলে আদালত দুই আসামির ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ফলে বর্তমানে তারা ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।

এদিকে এই দুই আসামিকে কীভাবে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা যাবে, তা নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়েও প্রশ্ন ওঠে।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র Randhir Jaiswal-এর কাছে জানতে চাওয়া হয়—শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে বিচারের জন্য ফেরত পাঠানো হবে কি না কিংবা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে তাদের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেওয়া হবে কি না।

তবে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি। জয়সওয়াল বলেন, বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তার বাইরে নতুন করে কিছু বলার নেই।

এর ফলে আসামিদের বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা হবে কি না, কিংবা কী প্রক্রিয়ায় তা হতে পারে—সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তবে কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদির হত্যাকারীদের ফেরত পাঠানো নিয়ে যা বলল ভারত

হাদির হত্যাকারীদের ফেরত পাঠানো নিয়ে যা বলল ভারত

আপডেট সময় ০৭:১০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটক করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

গ্রেপ্তারের পর তাদের ভারতের আদালতে হাজির করা হলে আদালত দুই আসামির ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ফলে বর্তমানে তারা ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।

এদিকে এই দুই আসামিকে কীভাবে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা যাবে, তা নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়েও প্রশ্ন ওঠে।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র Randhir Jaiswal-এর কাছে জানতে চাওয়া হয়—শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে বিচারের জন্য ফেরত পাঠানো হবে কি না কিংবা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে তাদের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেওয়া হবে কি না।

তবে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি। জয়সওয়াল বলেন, বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তার বাইরে নতুন করে কিছু বলার নেই।

এর ফলে আসামিদের বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা হবে কি না, কিংবা কী প্রক্রিয়ায় তা হতে পারে—সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তবে কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।