ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুসলিম দেশগুলোকে তেহরানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান লারিজানির

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৩৯:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫১৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মুসলিম দেশগুলোকে তেহরানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (১৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি বলেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছি।

আরবি ভাষায় লেখা এক চিঠিতে তিনি বিভিন্ন দেশের নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘ইসলামি বিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবুন।লারিজানি বলেন, ‘আজকের এই সংঘাত একদিকে আমেরিকা ও ইসরায়েল, অন্যদিকে প্রতিরোধ শক্তির মধ্যে। আপনারা জানেন, আমেরিকা কারো প্রতি বিশ্বস্ত নয় এবং ইসরায়েল আপনাদের শত্রু। কিছু সময় থেমে নিজেদের এবং অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবুন। ইরান আপনাদের প্রতি আন্তরিক এবং আধিপত্য বিস্তারের কোনো উদ্দেশ্য নেই।‘ 

তিনি আরও দাবি করেন, ইরান তথাকথিতআমেরিকানজায়নিস্ট আগ্রাসনেরশিকার, যার লক্ষ্য দেশটিকে দুর্বল করা। একই সঙ্গে সংকটের সময়ে মুসলিম দেশগুলোর সীমিত সমর্থনেরও সমালোচনা করেন তিনি। হামলা সত্ত্বেও লারিজানির দাবি, ইরানের জনগণ শক্তিশালী জাতীয় ও ইসলামি প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।

চিঠিটি এমন সময় এলো, যখন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং বাহারাইনসহ কয়েকটি মুসলিম দেশ তাদের ভূখণ্ডে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। অন্যদিকে, ইরান বারবার বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ঘাঁটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অব্যাহত রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট কোনো কৌশল নেই, এর জন্য হোঁচট খাচ্ছে: মার্কিন সিনেটর

মুসলিম দেশগুলোকে তেহরানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান লারিজানির

আপডেট সময় ১০:৩৯:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মুসলিম দেশগুলোকে তেহরানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (১৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি বলেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছি।

আরবি ভাষায় লেখা এক চিঠিতে তিনি বিভিন্ন দেশের নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘ইসলামি বিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবুন।লারিজানি বলেন, ‘আজকের এই সংঘাত একদিকে আমেরিকা ও ইসরায়েল, অন্যদিকে প্রতিরোধ শক্তির মধ্যে। আপনারা জানেন, আমেরিকা কারো প্রতি বিশ্বস্ত নয় এবং ইসরায়েল আপনাদের শত্রু। কিছু সময় থেমে নিজেদের এবং অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবুন। ইরান আপনাদের প্রতি আন্তরিক এবং আধিপত্য বিস্তারের কোনো উদ্দেশ্য নেই।‘ 

তিনি আরও দাবি করেন, ইরান তথাকথিতআমেরিকানজায়নিস্ট আগ্রাসনেরশিকার, যার লক্ষ্য দেশটিকে দুর্বল করা। একই সঙ্গে সংকটের সময়ে মুসলিম দেশগুলোর সীমিত সমর্থনেরও সমালোচনা করেন তিনি। হামলা সত্ত্বেও লারিজানির দাবি, ইরানের জনগণ শক্তিশালী জাতীয় ও ইসলামি প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।

চিঠিটি এমন সময় এলো, যখন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং বাহারাইনসহ কয়েকটি মুসলিম দেশ তাদের ভূখণ্ডে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। অন্যদিকে, ইরান বারবার বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ঘাঁটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অব্যাহত রাখবে।