ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্থল অভিযানে নামলে যুক্তরাষ্ট্রের পরিণতি হবে ‘ভিয়েতনাম যুদ্ধের’ মতো: ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫১৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানে স্থল অভিযান চালালে যুক্তরাষ্ট্রের পরিণতি ভিয়েতনাম যুদ্ধের মতো হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান। ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে স্থলপথে আক্রমণ চালায়, তাহলে তাদ্বিতীয় ভিয়েতনাম যুদ্ধেপরিণত হতে পারে।  

উল্লেখ্য, ভিয়েতনাম যুদ্ধে (১৯৫৫১৯৭৫) যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত পরিণতি ছিল সামরিক ও রাজনৈতিক পরাজয়। প্রায় ৫৮ হাজারের বেশি মার্কিন সৈন্য নিহত হওয়া, শত শত কোটি ডলারের আর্থিক ক্ষতি, ব্যাপক অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ এবং বৈশ্বিক সুনামের চরম অবনতি ঘটে। এই যুদ্ধের ব্যর্থতা আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যাভিয়েতনাম সিনড্রোমনামে পরিচিত। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মিত্র দেশগুলোর সমালোচনা করেছেন, কারণ তারা হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার জন্য ওয়াশিংটনকে সহায়তা করার তার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো দেশই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয়নি। ইরান দাবি করছে, এই পথটি তাদের শত্রু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য বন্ধ রয়েছে।

এদিকে জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছেন, “এই যুদ্ধের সঙ্গে ন্যাটোর কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি ন্যাটোর যুদ্ধ নয়।অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার কার্যকর কোনো যৌথ পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তা করছেন; যদিও তিনি নির্দিষ্ট কিছু জানাননি। এদিকে বৈশ্বিক তেল প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে লেনদেন হচ্ছে, যা ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় ৪০ শতাংশেরও বেশি। এতে গভীর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সূত্র: আরটি

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কিছু লিডারশিপ ক্যারেক্টার আমাকে আশাবাদী করেছে: আশিক চৌধুরী

স্থল অভিযানে নামলে যুক্তরাষ্ট্রের পরিণতি হবে ‘ভিয়েতনাম যুদ্ধের’ মতো: ইরান

আপডেট সময় ১১:৫৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানে স্থল অভিযান চালালে যুক্তরাষ্ট্রের পরিণতি ভিয়েতনাম যুদ্ধের মতো হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান। ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে স্থলপথে আক্রমণ চালায়, তাহলে তাদ্বিতীয় ভিয়েতনাম যুদ্ধেপরিণত হতে পারে।  

উল্লেখ্য, ভিয়েতনাম যুদ্ধে (১৯৫৫১৯৭৫) যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত পরিণতি ছিল সামরিক ও রাজনৈতিক পরাজয়। প্রায় ৫৮ হাজারের বেশি মার্কিন সৈন্য নিহত হওয়া, শত শত কোটি ডলারের আর্থিক ক্ষতি, ব্যাপক অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ এবং বৈশ্বিক সুনামের চরম অবনতি ঘটে। এই যুদ্ধের ব্যর্থতা আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যাভিয়েতনাম সিনড্রোমনামে পরিচিত। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মিত্র দেশগুলোর সমালোচনা করেছেন, কারণ তারা হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার জন্য ওয়াশিংটনকে সহায়তা করার তার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো দেশই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয়নি। ইরান দাবি করছে, এই পথটি তাদের শত্রু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য বন্ধ রয়েছে।

এদিকে জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছেন, “এই যুদ্ধের সঙ্গে ন্যাটোর কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি ন্যাটোর যুদ্ধ নয়।অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার কার্যকর কোনো যৌথ পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তা করছেন; যদিও তিনি নির্দিষ্ট কিছু জানাননি। এদিকে বৈশ্বিক তেল প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে লেনদেন হচ্ছে, যা ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় ৪০ শতাংশেরও বেশি। এতে গভীর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সূত্র: আরটি