ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াতের সঙ্গে ‘যৌথ খাদ্য বিতরণ’ নিয়ে চীনা দূতাবাসের প্রতিবাদ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৫৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪৮ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীতে খাবার বিতরণ করেছে। এই অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। তবে এই অনুষ্ঠান নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদ জানিয়েছে চীনা দূতাবাস।

গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে এটি চীনা দূতাবাসের একক উদ্যোগে পরিচালিত হয়েছে বলে স্পষ্ট করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অনুষ্ঠানকে ভুলভাবে প্রচার করা হয়েছে, যা ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দূতাবাস উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, আমরা কিছু সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট লক্ষ্য করেছি যা ঘটনার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা বাংলাদেশের প্রতি চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ নীতি পুনর্ব্যক্ত করছি। আমরা নির্বাচিত সরকারের সুষ্ঠু শাসনকে সমর্থন করি। আমরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মিলে দুই দেশের জনগণের জন্য আরও সুবিধা নিয়ে আসব।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের কিছু সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টে এটিকে যৌথ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা দূতাবাসের বক্তব্যের সঙ্গে মেলেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রেন ভ্রমণের সময় ভুলে পড়ে গেল ‘গোপন’ যুদ্ধ মানচিত্র, বিপাকে মার্কিন জেনারেল

জামায়াতের সঙ্গে ‘যৌথ খাদ্য বিতরণ’ নিয়ে চীনা দূতাবাসের প্রতিবাদ

আপডেট সময় ১১:৫৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

এবার বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীতে খাবার বিতরণ করেছে। এই অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। তবে এই অনুষ্ঠান নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদ জানিয়েছে চীনা দূতাবাস।

গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে এটি চীনা দূতাবাসের একক উদ্যোগে পরিচালিত হয়েছে বলে স্পষ্ট করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অনুষ্ঠানকে ভুলভাবে প্রচার করা হয়েছে, যা ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দূতাবাস উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, আমরা কিছু সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট লক্ষ্য করেছি যা ঘটনার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা বাংলাদেশের প্রতি চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ নীতি পুনর্ব্যক্ত করছি। আমরা নির্বাচিত সরকারের সুষ্ঠু শাসনকে সমর্থন করি। আমরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মিলে দুই দেশের জনগণের জন্য আরও সুবিধা নিয়ে আসব।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের কিছু সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টে এটিকে যৌথ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা দূতাবাসের বক্তব্যের সঙ্গে মেলেনি।