এবার ইরানের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক অবস্থান কঠোর করেছে কাতার। দেশটি ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিক ‘অ্যাটাশে’দের অবিলম্বে কাতার ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। কূটনৈতিক ভাষায় ‘অ্যাটাশে’ বলতে সাধারণত দূতাবাসে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ বা প্রতিনিধিকে বোঝায়। একে ‘সামরিক/নিরাপত্তা প্রতিনিধি’ বা ‘সংযুক্ত কর্মকর্তা’ বলা যেতে পারে। খবর আল জাজিরার।
কাতারের প্রধান গ্যাস স্থাপনা রাস লাফানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হওয়ার পর এমন সিদ্ধান্ত এসেছে। দোহা এ ঘটনাকে সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। একই সময়ে, ইরানি হামলার পর আবুধাবির হাবশান গ্যাস স্থাপনা বন্ধ করে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সৌদি আরবও জানিয়েছে, তাদের দুটি তেল শোধনাগার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। রিয়াদ বলছে, ‘ইরানের প্রতি যে সামান্য আস্থা অবশিষ্ট ছিল, তা সম্পূর্ণ ভেস্তে গেছে।’
উল্লেখ্য, ইরানের নৌঘাঁটি ও সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলার পরই এই উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। পাল্টা হামলায় ইরানও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে, যা সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক সংকটে রূপ দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কাতারের এই পদক্ষেপ শুধু একটি কূটনৈতিক বার্তাই নয়, বরং উপসাগরীয় অঞ্চলে সম্ভাব্য বৃহত্তর সংঘাতের সুস্পষ্ট পূর্বাভাসও বহন করছে।


















