ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানি নিরাপত্তা ও সামরিক প্রতিনিধিদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিলো কাতার

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪১ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক অবস্থান কঠোর করেছে কাতার। দেশটি ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিকঅ্যাটাশেদের অবিলম্বে কাতার ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। কূটনৈতিক ভাষায়অ্যাটাশেবলতে সাধারণত দূতাবাসে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ বা প্রতিনিধিকে বোঝায়। একেসামরিক/নিরাপত্তা প্রতিনিধিবাসংযুক্ত কর্মকর্তাবলা যেতে পারে। খবর আল জাজিরার।

কাতারের প্রধান গ্যাস স্থাপনা রাস লাফানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায়ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিহওয়ার পর এমন সিদ্ধান্ত এসেছে। দোহা এ ঘটনাকে সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। একই সময়ে, ইরানি হামলার পর আবুধাবির হাবশান গ্যাস স্থাপনা বন্ধ করে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সৌদি আরবও জানিয়েছে, তাদের দুটি তেল শোধনাগার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। রিয়াদ বলছে, ‘ইরানের প্রতি যে সামান্য আস্থা অবশিষ্ট ছিল, তা সম্পূর্ণ ভেস্তে গেছে।

উল্লেখ্য,  ইরানের নৌঘাঁটি ও সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলার পরই এই উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। পাল্টা হামলায় ইরানও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে, যা সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক সংকটে রূপ দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কাতারের এই পদক্ষেপ শুধু একটি কূটনৈতিক বার্তাই নয়, বরং উপসাগরীয় অঞ্চলে সম্ভাব্য বৃহত্তর সংঘাতের সুস্পষ্ট পূর্বাভাসও বহন করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক আইআরজিসি প্রধান কেন চান যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘স্থল আক্রমণ’ চালাক

ইরানি নিরাপত্তা ও সামরিক প্রতিনিধিদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিলো কাতার

আপডেট সময় ১১:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক অবস্থান কঠোর করেছে কাতার। দেশটি ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিকঅ্যাটাশেদের অবিলম্বে কাতার ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। কূটনৈতিক ভাষায়অ্যাটাশেবলতে সাধারণত দূতাবাসে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ বা প্রতিনিধিকে বোঝায়। একেসামরিক/নিরাপত্তা প্রতিনিধিবাসংযুক্ত কর্মকর্তাবলা যেতে পারে। খবর আল জাজিরার।

কাতারের প্রধান গ্যাস স্থাপনা রাস লাফানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায়ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিহওয়ার পর এমন সিদ্ধান্ত এসেছে। দোহা এ ঘটনাকে সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। একই সময়ে, ইরানি হামলার পর আবুধাবির হাবশান গ্যাস স্থাপনা বন্ধ করে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সৌদি আরবও জানিয়েছে, তাদের দুটি তেল শোধনাগার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। রিয়াদ বলছে, ‘ইরানের প্রতি যে সামান্য আস্থা অবশিষ্ট ছিল, তা সম্পূর্ণ ভেস্তে গেছে।

উল্লেখ্য,  ইরানের নৌঘাঁটি ও সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলার পরই এই উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। পাল্টা হামলায় ইরানও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে, যা সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক সংকটে রূপ দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কাতারের এই পদক্ষেপ শুধু একটি কূটনৈতিক বার্তাই নয়, বরং উপসাগরীয় অঞ্চলে সম্ভাব্য বৃহত্তর সংঘাতের সুস্পষ্ট পূর্বাভাসও বহন করছে।