ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বদলে গেল ইতিহাসঃ লোকসভায় ভোটে হারলেন মোদি

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:০৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের লোকসভার ইতিহাসে প্রথমবারের মত সংবিধান সংশোধনী বিল পাসে ব্যর্থ হয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকারের উদ্যোগ। দুইতৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায়সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল, ২০২৬শুক্রবার ভোটাভুটিতে নাকচ হয়ে যায়। ভোটে পক্ষে পড়ে ২৯৮টি এবং বিপক্ষে ২৩০টি ভোট, উপস্থিত ছিলেন ৫২৮ জন সদস্য। প্রয়োজন ছিল ৩৫২ ভোট, ফলে ৫৪ ভোটের ঘাটতিতে বিলটি পাস হয়নি। গত ১২ বছরে মোদি সরকারের আনা কোনো সংবিধান সংশোধনী বিল এই প্রথম ব্যর্থ হলো।

এদিকে সরকার নারীদের জন্য সংসদ ও রাজ্য বিধানসভায় আসন সংরক্ষণ, লোকসভার আসনসংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করা এবং নতুন করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন)–সংক্রান্ত তিনটি বিল একসঙ্গে আনতে চেয়েছিল। তবে মূল বিলটি খারিজ হওয়ায় বাকি দুইটি আর তোলা হয়নি।

বিরোধীরা ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করে, তাদের দাবি, এতে জনসংখ্যাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব বাড়লে কিছু অঞ্চলের রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, নারীদের সংরক্ষণে তারা সমর্থন দিলেও সেটিকে ডিলিমিটেশনের সঙ্গে যুক্ত করার বিরোধী।

ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি সব দলকে বিলটির পক্ষে ভোট দিতে আহ্বান জানালেও শেষ পর্যন্ত বিরোধীদের সমর্থন না পাওয়ায় তা পাস হয়নি। পরে কংগ্রেস দাবি করে, ‘নারীর নামে অসাংবিধানিক কৌশলনেওয়ায় বিলটি ব্যর্থ হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক পাচাররোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

বদলে গেল ইতিহাসঃ লোকসভায় ভোটে হারলেন মোদি

আপডেট সময় ১২:০৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

এবার ভারতের লোকসভার ইতিহাসে প্রথমবারের মত সংবিধান সংশোধনী বিল পাসে ব্যর্থ হয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকারের উদ্যোগ। দুইতৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায়সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল, ২০২৬শুক্রবার ভোটাভুটিতে নাকচ হয়ে যায়। ভোটে পক্ষে পড়ে ২৯৮টি এবং বিপক্ষে ২৩০টি ভোট, উপস্থিত ছিলেন ৫২৮ জন সদস্য। প্রয়োজন ছিল ৩৫২ ভোট, ফলে ৫৪ ভোটের ঘাটতিতে বিলটি পাস হয়নি। গত ১২ বছরে মোদি সরকারের আনা কোনো সংবিধান সংশোধনী বিল এই প্রথম ব্যর্থ হলো।

এদিকে সরকার নারীদের জন্য সংসদ ও রাজ্য বিধানসভায় আসন সংরক্ষণ, লোকসভার আসনসংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করা এবং নতুন করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন)–সংক্রান্ত তিনটি বিল একসঙ্গে আনতে চেয়েছিল। তবে মূল বিলটি খারিজ হওয়ায় বাকি দুইটি আর তোলা হয়নি।

বিরোধীরা ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করে, তাদের দাবি, এতে জনসংখ্যাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব বাড়লে কিছু অঞ্চলের রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, নারীদের সংরক্ষণে তারা সমর্থন দিলেও সেটিকে ডিলিমিটেশনের সঙ্গে যুক্ত করার বিরোধী।

ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি সব দলকে বিলটির পক্ষে ভোট দিতে আহ্বান জানালেও শেষ পর্যন্ত বিরোধীদের সমর্থন না পাওয়ায় তা পাস হয়নি। পরে কংগ্রেস দাবি করে, ‘নারীর নামে অসাংবিধানিক কৌশলনেওয়ায় বিলটি ব্যর্থ হয়েছে।