ঢাকা ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস অভিযোগ করেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন এক যুদ্ধে জড়িয়েছেন যাআমেরিকার জনগণ চায় নাএবং এতে মার্কিন সেনারা ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। তিনি বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় এই যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হ্যারিস শনিবার ডেট্রয়েটে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন এমন একটি সংঘাতে জড়িয়েছে যা অপ্রয়োজনীয় এবং এর ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের।

হ্যারিসের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু এই দাবি নাকচ করে দেন। এর আগে গত মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, “কেউ কি সত্যিই মনে করে, কেউ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলে দিতে পারে কী করতে হবে?” মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্যগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক পাচাররোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

আপডেট সময় ১০:০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস অভিযোগ করেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন এক যুদ্ধে জড়িয়েছেন যাআমেরিকার জনগণ চায় নাএবং এতে মার্কিন সেনারা ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। তিনি বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় এই যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হ্যারিস শনিবার ডেট্রয়েটে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন এমন একটি সংঘাতে জড়িয়েছে যা অপ্রয়োজনীয় এবং এর ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের।

হ্যারিসের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু এই দাবি নাকচ করে দেন। এর আগে গত মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, “কেউ কি সত্যিই মনে করে, কেউ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলে দিতে পারে কী করতে হবে?” মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্যগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা