ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত অপরাধ স্বীকার না করা পর্যন্ত ‘মুক্তিযুদ্ধ কার্ড’ থাকবে: জাহেদ উর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:০০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৪ বার পড়া হয়েছে

এবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে রাজনীতিতেমুক্তিযুদ্ধ কার্ডথাকবে, যতদিন পর্যন্ত জামায়াত ইসলামী তাদের নিঃশর্ত অপরাধ স্বীকার করবে। এই রাজনৈতিক কার্ডটি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতের লোকজন ফৌজদারি অপরাধে জড়িত ছিল কোনো সন্দেহ নাই। তারা কোলাবরেট করতে গিয়ে নানা রকম মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধে জড়িত হয়েছিল।’

আজ বৃহস্পতিবার নিজেরজাহেদ টকসইউটিউব চ্যানেলে এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন জাহেদ উর রহমান। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক সংসদ সদস্য শক্ত বক্তব্য দিয়েছেন। অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের সময়ে জামায়াত ইসলামীর কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলেছেন। জামায়াত ইসলামকে টার্গেট করে বক্তব্য দিয়েছেন সংসদ সদস্যরা।

এসব বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সংসদে প্রচুর কথাবার্তা হচ্ছে, বাহাস হচ্ছে। এদিকে যথারীতি ফেসবুকে বলা হচ্ছে, বিএনপি বিরাট ভুল করছে আবারো মুক্তিযুদ্ধের কথা তুলে। বিএনপি আওয়ামী লীগ হয়ে উঠছে কিংবা এই কথা বলার মাধ্যমে সমাজে সে বিভক্তি তৈরি করছে এতে বিএনপির ভরাডুবি নিশ্চিত এই ধরনের আলাপ আবার উঠল। আগেও বলেছি আবারো বলছি, যারা এই কথাগুলো বলছেন তারা বিএনপিকে পছন্দ করেন না, তারা বিএনপিবিরোধী মানুষ।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘গণতন্ত্র মানে বিভাজন তৈরি করা।তার এই বিভাজননীতির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘এই বিভাজনটার ক্ষেত্রে একটা শর্ত আছে। এই বিভাজন এমন হতে পারবে না যেটা ঘৃণা উৎপাদন করে, অন্যের রাজনৈতিক এবং নাগরিক অধিকার হরণ করে। বিভাজনের একটা তত্ত্ব আছে। পৃথিবীতে বিভিন্ন রকম রাজনৈতিক দল আছে, তার মানেটা কী? তার নিজস্ব একটা রাজনৈতিক চিন্তা আছে। সেই রাজনৈতিক চিন্তাটা সে সেটার ভিত্তিতে সে কিছু মানুষকে তার কাছে নিয়ে আসতে চেষ্টা করে। খুব গ্রস অর্থে বলতে গেলে এটা একটা বিভাজন।তবে শেখ হাসিনার সময়কালে যেভাবে বিভাজন করা হয়েছে সেটি করা যাবে না বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘তবে এই বিভাজন হাসিনার বিভাজন না। তিনি এই বিভাজনের মাধ্যমে ঘৃণা উৎপাদন করেছেন এবং মানুষকে হত্যাযজ্ঞ করে তুলেছেন। মানুষের মানবিক অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার সব হরণ করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকের টাকার জন্য নিজের ঘরের টিনের বেড়া খুলে নিলেন যুবক

জামায়াত অপরাধ স্বীকার না করা পর্যন্ত ‘মুক্তিযুদ্ধ কার্ড’ থাকবে: জাহেদ উর রহমান

আপডেট সময় ০২:০০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

এবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে রাজনীতিতেমুক্তিযুদ্ধ কার্ডথাকবে, যতদিন পর্যন্ত জামায়াত ইসলামী তাদের নিঃশর্ত অপরাধ স্বীকার করবে। এই রাজনৈতিক কার্ডটি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতের লোকজন ফৌজদারি অপরাধে জড়িত ছিল কোনো সন্দেহ নাই। তারা কোলাবরেট করতে গিয়ে নানা রকম মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধে জড়িত হয়েছিল।’

আজ বৃহস্পতিবার নিজেরজাহেদ টকসইউটিউব চ্যানেলে এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন জাহেদ উর রহমান। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক সংসদ সদস্য শক্ত বক্তব্য দিয়েছেন। অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের সময়ে জামায়াত ইসলামীর কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলেছেন। জামায়াত ইসলামকে টার্গেট করে বক্তব্য দিয়েছেন সংসদ সদস্যরা।

এসব বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সংসদে প্রচুর কথাবার্তা হচ্ছে, বাহাস হচ্ছে। এদিকে যথারীতি ফেসবুকে বলা হচ্ছে, বিএনপি বিরাট ভুল করছে আবারো মুক্তিযুদ্ধের কথা তুলে। বিএনপি আওয়ামী লীগ হয়ে উঠছে কিংবা এই কথা বলার মাধ্যমে সমাজে সে বিভক্তি তৈরি করছে এতে বিএনপির ভরাডুবি নিশ্চিত এই ধরনের আলাপ আবার উঠল। আগেও বলেছি আবারো বলছি, যারা এই কথাগুলো বলছেন তারা বিএনপিকে পছন্দ করেন না, তারা বিএনপিবিরোধী মানুষ।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘গণতন্ত্র মানে বিভাজন তৈরি করা।তার এই বিভাজননীতির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘এই বিভাজনটার ক্ষেত্রে একটা শর্ত আছে। এই বিভাজন এমন হতে পারবে না যেটা ঘৃণা উৎপাদন করে, অন্যের রাজনৈতিক এবং নাগরিক অধিকার হরণ করে। বিভাজনের একটা তত্ত্ব আছে। পৃথিবীতে বিভিন্ন রকম রাজনৈতিক দল আছে, তার মানেটা কী? তার নিজস্ব একটা রাজনৈতিক চিন্তা আছে। সেই রাজনৈতিক চিন্তাটা সে সেটার ভিত্তিতে সে কিছু মানুষকে তার কাছে নিয়ে আসতে চেষ্টা করে। খুব গ্রস অর্থে বলতে গেলে এটা একটা বিভাজন।তবে শেখ হাসিনার সময়কালে যেভাবে বিভাজন করা হয়েছে সেটি করা যাবে না বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘তবে এই বিভাজন হাসিনার বিভাজন না। তিনি এই বিভাজনের মাধ্যমে ঘৃণা উৎপাদন করেছেন এবং মানুষকে হত্যাযজ্ঞ করে তুলেছেন। মানুষের মানবিক অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার সব হরণ করেছেন।