ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানকে রাশিয়া অস্ত্রের চেয়েও বেশি কিছু দিচ্ছে

এবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির মস্কো সফরের পর দেশটিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনায় রাশিয়ার অবস্থান আবারও আলোচনায় এসেছে। রাশিয়া জানিয়েছে, তারা ইরান ইস্যুতে সামরিক সমাধানের পরিবর্তে কূটনৈতিক পথকেই গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশটি মনে করছে, সংঘাত দীর্ঘ হলে মধ্যপ্রাচ্যে মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

মস্কো বলছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া ইরানের ওপর কোনো একতরফা নিষেধাজ্ঞা বা সামরিক পদক্ষেপ তারা সমর্থন করে না। একই সঙ্গে ইরানের ওপর নৌ অবরোধ বা অন্য কোনো বৈরী পদক্ষেপের বিরোধিতাও করেছে রাশিয়া।  তবে রাশিয়া সরাসরি সামরিক সহায়তায় যাচ্ছে না। কৌশলগত কারণে তারা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াতে আগ্রহী নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়েছে। ইউরোপের অনেক দেশ সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে এবং চীনও সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে।

এদিকে ইরান এই পরিস্থিতিকে কৌশলগতভাবে নিজেদের পক্ষে দেখছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি, যা দীর্ঘমেয়াদে সংকটকে আরও জটিল করতে পারে। রাশিয়ার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই এবং দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক উদ্যোগই একমাত্র পথ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

ইরানকে রাশিয়া অস্ত্রের চেয়েও বেশি কিছু দিচ্ছে

আপডেট সময় ১১:১৬:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

এবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির মস্কো সফরের পর দেশটিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনায় রাশিয়ার অবস্থান আবারও আলোচনায় এসেছে। রাশিয়া জানিয়েছে, তারা ইরান ইস্যুতে সামরিক সমাধানের পরিবর্তে কূটনৈতিক পথকেই গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশটি মনে করছে, সংঘাত দীর্ঘ হলে মধ্যপ্রাচ্যে মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

মস্কো বলছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া ইরানের ওপর কোনো একতরফা নিষেধাজ্ঞা বা সামরিক পদক্ষেপ তারা সমর্থন করে না। একই সঙ্গে ইরানের ওপর নৌ অবরোধ বা অন্য কোনো বৈরী পদক্ষেপের বিরোধিতাও করেছে রাশিয়া।  তবে রাশিয়া সরাসরি সামরিক সহায়তায় যাচ্ছে না। কৌশলগত কারণে তারা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াতে আগ্রহী নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়েছে। ইউরোপের অনেক দেশ সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে এবং চীনও সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে।

এদিকে ইরান এই পরিস্থিতিকে কৌশলগতভাবে নিজেদের পক্ষে দেখছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি, যা দীর্ঘমেয়াদে সংকটকে আরও জটিল করতে পারে। রাশিয়ার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই এবং দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক উদ্যোগই একমাত্র পথ।