ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:৫৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ৫১৩ বার পড়া হয়েছে

ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস আজ শনিবার (১৬ মে)। ১৯৭৬ সালের আজকের দিনে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকে সারা দেশ থেকে রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দানে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়। বিশাল লংমার্চটি রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দান থেকে গিয়ে শেষ হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে এমন সোচ্চার জনমত ফারাক্কা লংমার্চের আগে-পরে কখনো দেখা যায়নি।

সে সময় চুক্তি অনুযায়ী পানির ন্যায্য হিস্যার দাবি পূরণ না হওয়ায় মরুকরণের দিকে যাচ্ছিল বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। যদিও সে অবস্থার এখনও পরিবর্তন হয়নি। ১৯৯৬ সালে ফারাক্কার পানি ভাগাভাগির বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নতুন করে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি হলেও বাংলাদেশ পানি পায়নি।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে ভারতের মনোহরপুরে ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে। বাঁধ দিয়ে গঙ্গার পানি অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ায় পদ্মায় পানি প্রবাহ হারিয়ে ফেলে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে সারাবছরই পদ্মানদী থাকে নাব্য সংকটে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে বাঁচছে ইরানের লাখ লাখ শিশু, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস আজ শনিবার (১৬ মে)। ১৯৭৬ সালের আজকের দিনে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকে সারা দেশ থেকে রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দানে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়। বিশাল লংমার্চটি রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দান থেকে গিয়ে শেষ হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে এমন সোচ্চার জনমত ফারাক্কা লংমার্চের আগে-পরে কখনো দেখা যায়নি।

সে সময় চুক্তি অনুযায়ী পানির ন্যায্য হিস্যার দাবি পূরণ না হওয়ায় মরুকরণের দিকে যাচ্ছিল বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। যদিও সে অবস্থার এখনও পরিবর্তন হয়নি। ১৯৯৬ সালে ফারাক্কার পানি ভাগাভাগির বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নতুন করে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি হলেও বাংলাদেশ পানি পায়নি।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে ভারতের মনোহরপুরে ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে। বাঁধ দিয়ে গঙ্গার পানি অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ায় পদ্মায় পানি প্রবাহ হারিয়ে ফেলে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে সারাবছরই পদ্মানদী থাকে নাব্য সংকটে।