এবার ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় মরুভূমিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দ্বিতীয় একটি গোপন ঘাঁটি পরিচালনা করেছিল বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসলিমপ্রধান দেশটির আল–নুখাইব শহরের কাছে ওই ঘাঁটির অস্তিত্ব গোপন রাখতে এক ইরাকি রাখাল ও এক সেনা সদস্যকে হত্যা করা হয়। নিহত রাখালের নাম আওয়াদ আল–শাম্মারি। তার বয়স ছিল ২৯ বছর। খবর আল জাজিরার।
আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, এই ঘাঁটি বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের আগেই স্থাপন করা হয়েছিল। গত বছরের জুনে ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধে এটি ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ঘাঁটি থেকে আকাশপথে সহায়তা, যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহ এবং আহতদের চিকিৎসা দেয়া হতো।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র এই গোপন ঘাঁটির বিষয়ে আগে থেকেই অবগত ছিল। এর অর্থ হতে পারে, ওয়াশিংটন ইরাক সরকারকে জানায়নি যে তাদের ভূখণ্ডে একটি বৈরী বিদেশি শক্তি সক্রিয় ছিল। এর আগে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল আরেকটি গোপন ঘাঁটির কথা প্রকাশ করেছিল। ওই ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে নির্মাণ করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। সেখানে বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করতেন এবং এটি ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর জন্য রসদকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বিষয়ে ইরাক সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রোববার ইরাকের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের মুখপাত্র সাবাহ আল–নুমান বলেন, ‘আমরা কোনোভাবেই আমাদের ভূখণ্ডকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে হামলার উৎক্ষেপণস্থল হিসেবে ব্যবহার করতে দেব না।’






















