ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কামরুজ্জামানের পদত্যাগ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামাল পদত্যাগ করেছেন। শনিবার (১৪ জুন) বেলা ১১টায় মুকসুদপুর উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

টেংরাখোলা গ্রামের বাসিন্দা ও টেংরাখোলা বাজারের ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান কামাল পদত্যাগের কারণ হিসেবে ‘শারীরিক অসুস্থতা’কে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন, যা তাকে রাজনীতির সক্রিয়তা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করছে।

সংবাদ সম্মেলনে কামরুজ্জামান কামাল বলেন, “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মুকসুদপুর উপজেলা শাখার যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে আমি দায়িত্বরত ছিলাম। কিন্তু বর্তমানে আমি হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত। এ অবস্থায় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা সম্ভব নয়। তাই আমি স্বেচ্ছায় আওয়ামী লীগের সকল ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অবসর গ্রহণ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “আজ থেকে আমার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি ভবিষ্যতে আর রাজনীতি করব না।”

কামরুজ্জামানের এই পদত্যাগে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তার পদত্যাগপত্র দলীয়ভাবে গৃহীত হয়েছে কিনা—তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইদহে জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করল বিএনপি

মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কামরুজ্জামানের পদত্যাগ

আপডেট সময় ১২:৫৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামাল পদত্যাগ করেছেন। শনিবার (১৪ জুন) বেলা ১১টায় মুকসুদপুর উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

টেংরাখোলা গ্রামের বাসিন্দা ও টেংরাখোলা বাজারের ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান কামাল পদত্যাগের কারণ হিসেবে ‘শারীরিক অসুস্থতা’কে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন, যা তাকে রাজনীতির সক্রিয়তা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করছে।

সংবাদ সম্মেলনে কামরুজ্জামান কামাল বলেন, “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মুকসুদপুর উপজেলা শাখার যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে আমি দায়িত্বরত ছিলাম। কিন্তু বর্তমানে আমি হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত। এ অবস্থায় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা সম্ভব নয়। তাই আমি স্বেচ্ছায় আওয়ামী লীগের সকল ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অবসর গ্রহণ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “আজ থেকে আমার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি ভবিষ্যতে আর রাজনীতি করব না।”

কামরুজ্জামানের এই পদত্যাগে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তার পদত্যাগপত্র দলীয়ভাবে গৃহীত হয়েছে কিনা—তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।