ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক সেই যুবদল নেতা বহিষ্কার

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ৫৪২ বার পড়া হয়েছে

এবার চট্টগ্রামের পটিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে যুবদল নেতা মিজানুর রহমান কফিলকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। তিনি পটিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। সোমবার (১ জুন) রাতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেচট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের আওতাধীন পটিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান কফিলকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন। একই সঙ্গে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এতে। রোববার (৩১ মে) দুপুরে পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এক প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হন মিজানুর রহমান কফিল (৩৭) পরে ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনাসমালোচনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীর সঙ্গে কফিলের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। রোববার দুপুরে তিনি ওই নারীর বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তাকে মারধরের অভিযোগও ওঠে। ভাইরাল ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তিকে কফিলকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে একপর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এক নারীকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতেও দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর কফিলের পরিবার, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মুরব্বিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে একটি লিখিত মুচলেকা নিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কফিল। তার দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, আত্মীয়ের বাড়িতে লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে গিয়েছিলেন। ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক সেই যুবদল নেতা বহিষ্কার

আপডেট সময় ১২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

এবার চট্টগ্রামের পটিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে যুবদল নেতা মিজানুর রহমান কফিলকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। তিনি পটিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। সোমবার (১ জুন) রাতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেচট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের আওতাধীন পটিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান কফিলকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন। একই সঙ্গে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এতে। রোববার (৩১ মে) দুপুরে পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এক প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হন মিজানুর রহমান কফিল (৩৭) পরে ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনাসমালোচনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীর সঙ্গে কফিলের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। রোববার দুপুরে তিনি ওই নারীর বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তাকে মারধরের অভিযোগও ওঠে। ভাইরাল ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তিকে কফিলকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে একপর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এক নারীকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতেও দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর কফিলের পরিবার, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মুরব্বিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে একটি লিখিত মুচলেকা নিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কফিল। তার দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, আত্মীয়ের বাড়িতে লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে গিয়েছিলেন। ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।