ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে হত্যার পর ঘরে তালা দিয়ে উধাও ছাত্রদল নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ৫২৯ বার পড়া হয়েছে

এবার সাভারের ছায়াবিথি এলাকার একটি তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে রিয়া মনি (১৯) নামে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি, রিয়া মনির স্বামী সদ্য ঘোষিত সাভার পৌর ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক রনি ইসলাম। রাতের কোনো এক সময় স্ত্রীকে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়েছেন তিনি। সোমবার (৮ জুন) রাতে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

রিয়া মনি নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানা এলাকার আব্দুর রবের মেয়ে। স্বামীর সঙ্গে তিনি সাভার পৌর এলাকার ছায়াবিথি মহল্লায় তৌহিদুর রহমানের বাসায় ভাড়া থাকতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভারের ছায়াবিথি এলাকার ওই ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে রনি ও রিয়া দম্পতি ভাড়া থাকতেন। কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। রিয়াকে হত্যা করে ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান রনি। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে পাশের ভাড়াটিয়ারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় রিয়া মনির মামা সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে রনিকে আসামি করে মঙ্গলবার সকালে সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, রনি সম্প্রতি পৌর ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন। এরপর থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে রিয়ার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। তার দাবি, পারিবারিক বিরোধের জেরে রিয়াকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করে বাইরে থেকে তালা দিয়ে পালিয়েছেন রনি। রিয়ার নানি জাহানারা বেগম বলেন, রিয়ার বাবামা দুজনই প্রবাসী। রিয়াকে ওই (রনি) পরিকল্পিতভাবে খুন করে পালিয়ে গেছেন। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার ও রনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী বলেন, খবর পেয়ে ওই ফ্লাটের তালা ভেঙে রিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, রনি তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে বলে তার মাকে ফোনে জানিয়েছেন। প্রাথমিক সুরতহাল অনুযায়ী তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম

স্ত্রীকে হত্যার পর ঘরে তালা দিয়ে উধাও ছাত্রদল নেতা

আপডেট সময় ১১:৩৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

এবার সাভারের ছায়াবিথি এলাকার একটি তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে রিয়া মনি (১৯) নামে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি, রিয়া মনির স্বামী সদ্য ঘোষিত সাভার পৌর ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক রনি ইসলাম। রাতের কোনো এক সময় স্ত্রীকে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়েছেন তিনি। সোমবার (৮ জুন) রাতে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

রিয়া মনি নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানা এলাকার আব্দুর রবের মেয়ে। স্বামীর সঙ্গে তিনি সাভার পৌর এলাকার ছায়াবিথি মহল্লায় তৌহিদুর রহমানের বাসায় ভাড়া থাকতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভারের ছায়াবিথি এলাকার ওই ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে রনি ও রিয়া দম্পতি ভাড়া থাকতেন। কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। রিয়াকে হত্যা করে ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান রনি। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে পাশের ভাড়াটিয়ারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় রিয়া মনির মামা সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে রনিকে আসামি করে মঙ্গলবার সকালে সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, রনি সম্প্রতি পৌর ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন। এরপর থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে রিয়ার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। তার দাবি, পারিবারিক বিরোধের জেরে রিয়াকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করে বাইরে থেকে তালা দিয়ে পালিয়েছেন রনি। রিয়ার নানি জাহানারা বেগম বলেন, রিয়ার বাবামা দুজনই প্রবাসী। রিয়াকে ওই (রনি) পরিকল্পিতভাবে খুন করে পালিয়ে গেছেন। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার ও রনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী বলেন, খবর পেয়ে ওই ফ্লাটের তালা ভেঙে রিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, রনি তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে বলে তার মাকে ফোনে জানিয়েছেন। প্রাথমিক সুরতহাল অনুযায়ী তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।