ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাজিলের জার্সি গায়ে মসজিদের জুতা চুরি, কেটে দেওয়া হলো চুল

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৩৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ৫২০ বার পড়া হয়েছে

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কুমারশীল মোড় এলাকার মদিনা মসজিদে জুতা চুরির অভিযোগে এক যুবককে আটক করে তার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।  বুধবার (১০ জুন) বিকেলে এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি অভিযুক্ত যুবককে আটক করে তার মাথার চুল কেটে দিচ্ছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দুই দিন আগে মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজে জুতা চুরির একটি ঘটনা ধরা পড়ে। এরপর সন্দেহভাজন ওই যুবককে আটক করা হয়। তবে তার নামপরিচয়, ঠিকানা কিংবা পূর্বের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মসজিদ পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে শহীদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে কেউ থানাকে অবহিত করেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও দেখেছি, যেখানে চুরির অভিযোগে একজনের চুল কেটে দেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোনো ব্যক্তি এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ করেননি।

তিনি আরও জানান, অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকলেও তাকে শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার জনসাধারণের নেই। অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তুলে দেওয়া উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ঘটনাটিকেগণবিচারের প্রবণতাহিসেবে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি বাধ্যতামূলক হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা

ব্রাজিলের জার্সি গায়ে মসজিদের জুতা চুরি, কেটে দেওয়া হলো চুল

আপডেট সময় ১০:৩৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কুমারশীল মোড় এলাকার মদিনা মসজিদে জুতা চুরির অভিযোগে এক যুবককে আটক করে তার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।  বুধবার (১০ জুন) বিকেলে এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি অভিযুক্ত যুবককে আটক করে তার মাথার চুল কেটে দিচ্ছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দুই দিন আগে মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজে জুতা চুরির একটি ঘটনা ধরা পড়ে। এরপর সন্দেহভাজন ওই যুবককে আটক করা হয়। তবে তার নামপরিচয়, ঠিকানা কিংবা পূর্বের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মসজিদ পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে শহীদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে কেউ থানাকে অবহিত করেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও দেখেছি, যেখানে চুরির অভিযোগে একজনের চুল কেটে দেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোনো ব্যক্তি এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ করেননি।

তিনি আরও জানান, অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকলেও তাকে শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার জনসাধারণের নেই। অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তুলে দেওয়া উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ঘটনাটিকেগণবিচারের প্রবণতাহিসেবে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।