ঢাকা ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে নুরাল পাগলের দরবারে হামলায় ৩ হাজার ৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০১:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬২৫ বার পড়া হয়েছে

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলের দরবারে হামলার ঘটনায় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরসহ অরাজকতার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার ৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হামলার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে দরবার এলাকা ঘিরে সাধারণ মানুষের ভিড় এখনও অব্যাহত।

ঘটনার সূত্রপাত হয় শুক্রবার জুমার নামাজের পর, গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। বিক্ষুব্ধ জনতা দরবারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। সংঘর্ষে একজন নিহত হন এবং উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক মানুষ আহত হন। হামলাকারীরা পুলিশের ওপরও হামলা চালিয়ে তাদের গাড়ি ভাঙচুর করে এবং ১০–১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। এ সময় নুরাল পাগলের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নুরাল পাগল গত ২৩ আগস্ট মারা যান। ভক্তরা তাকে দরবারের ভেতর কবর দেন এবং কবরের উপরে ১০–১২ ফুট উঁচু স্থাপনা নির্মাণ করেন, যা দেখতে কাবা শরীফের অনুরূপ। স্থানীয় ধর্মপ্রাণরা এটি নিয়ে আপত্তি জানান। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তৌহিদি জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল বের হওয়ার পর হামলা ও অগ্নিসংযোগ সংঘটিত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

রাজবাড়ীতে নুরাল পাগলের দরবারে হামলায় ৩ হাজার ৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ০১:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলের দরবারে হামলার ঘটনায় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরসহ অরাজকতার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার ৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হামলার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে দরবার এলাকা ঘিরে সাধারণ মানুষের ভিড় এখনও অব্যাহত।

ঘটনার সূত্রপাত হয় শুক্রবার জুমার নামাজের পর, গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। বিক্ষুব্ধ জনতা দরবারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। সংঘর্ষে একজন নিহত হন এবং উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক মানুষ আহত হন। হামলাকারীরা পুলিশের ওপরও হামলা চালিয়ে তাদের গাড়ি ভাঙচুর করে এবং ১০–১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। এ সময় নুরাল পাগলের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নুরাল পাগল গত ২৩ আগস্ট মারা যান। ভক্তরা তাকে দরবারের ভেতর কবর দেন এবং কবরের উপরে ১০–১২ ফুট উঁচু স্থাপনা নির্মাণ করেন, যা দেখতে কাবা শরীফের অনুরূপ। স্থানীয় ধর্মপ্রাণরা এটি নিয়ে আপত্তি জানান। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তৌহিদি জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল বের হওয়ার পর হামলা ও অগ্নিসংযোগ সংঘটিত হয়।