ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ৪০

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৬:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৬১ বার পড়া হয়েছে

 

ভোলার চরফ্যাশনে জিন্নাগর ইউনিয়নের চকবাজারে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে বিএনপি এবং জামায়াতের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৪০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টায় জিন্নাগর ৯নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের বাকবিতণ্ডা প্রথম দফার সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটায়। গুরুতর আহতদের মধ্যে ১১ জনকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মীর শরিফ অভিযোগ করেছেন, সকালে নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির লোকজন তাঁকে মারধর করে। পরে আহত নেতাকর্মীদের হাসপাতালে নেওয়ার সময় দ্বিতীয় দফার হামলা চালানো হয়, এতে জামায়াতের ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম সোহেল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওষুধ ক্রয়কে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের লোকজন প্রথমে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে বিএনপির ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, জামায়াত আগামী নির্বাচনের প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

চরফ্যাশন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদুল হক জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। পুলিশ ও নৌবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।


 

জনপ্রিয় সংবাদ

আমার বিরুদ্ধে কেউ ৭১-এর অভিযোগ তুললে মামলা ঠুকে দেব: এটিএম আজহারুল ইসলাম

নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ৪০

আপডেট সময় ০৬:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ভোলার চরফ্যাশনে জিন্নাগর ইউনিয়নের চকবাজারে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে বিএনপি এবং জামায়াতের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৪০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টায় জিন্নাগর ৯নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের বাকবিতণ্ডা প্রথম দফার সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটায়। গুরুতর আহতদের মধ্যে ১১ জনকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মীর শরিফ অভিযোগ করেছেন, সকালে নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির লোকজন তাঁকে মারধর করে। পরে আহত নেতাকর্মীদের হাসপাতালে নেওয়ার সময় দ্বিতীয় দফার হামলা চালানো হয়, এতে জামায়াতের ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম সোহেল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওষুধ ক্রয়কে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের লোকজন প্রথমে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে বিএনপির ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, জামায়াত আগামী নির্বাচনের প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

চরফ্যাশন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদুল হক জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। পুলিশ ও নৌবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।