ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোটকেন্দ্র ও ব্যালট বাক্স দখল হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: সেনাবাহিনী

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

এবার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ও ব্যালট বাক্স দখল হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলিস্তানের জাতীয় স্টেডিয়ামে অবস্থিত সেনাক্যাম্পে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সেনা সদরের ডিরেক্টর (মিলিটারি অপারেশন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, অন্যান্য নির্বাচনের চেয়ে এই নির্বাচনে বেশি সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাপ্রধানের দিকনির্দেশনায় অসামরিক প্রশাসন ও জনগণকে সাহায্যের জন্য অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সেনাবাহিনী সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। কেউ ভোটকেন্দ্র দখল করতে চাইলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো জানান, সেনাবাহিনী ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র এখন পর্যন্ত উদ্ধার করেছে। অসামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল তৈরি করেছে সেনাবাহিনী। নির্বাচনের পরে সেনাবাহিনী কত দিন মাঠে থাকবে, এটা একান্তই সরকারের সিদ্ধান্ত।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম জানান, সেনাপ্রধান জনগণের মনে আস্থার বার্তা দিয়েছেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যা যা করা প্রয়োজন, অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী আইনের মধ্যে থেকে সব করবে। নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধে সেনাবাহিনী প্রস্তুত। সোশ্যাল মিডিয়া এবং অপপ্রচার এই নির্বাচনে প্রদান হুমকি। সাইবার নজরদারি অব্যাহত আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আগুন দিয়েছে এএসআই মনির, রাজসাক্ষীও জড়িত ছিল: মৃত্যুদণ্ড রায়ের প্রতিক্রিয়ায় এসআই মালেক

ভোটকেন্দ্র ও ব্যালট বাক্স দখল হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: সেনাবাহিনী

আপডেট সময় ০২:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ও ব্যালট বাক্স দখল হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলিস্তানের জাতীয় স্টেডিয়ামে অবস্থিত সেনাক্যাম্পে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সেনা সদরের ডিরেক্টর (মিলিটারি অপারেশন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, অন্যান্য নির্বাচনের চেয়ে এই নির্বাচনে বেশি সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাপ্রধানের দিকনির্দেশনায় অসামরিক প্রশাসন ও জনগণকে সাহায্যের জন্য অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সেনাবাহিনী সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। কেউ ভোটকেন্দ্র দখল করতে চাইলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো জানান, সেনাবাহিনী ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র এখন পর্যন্ত উদ্ধার করেছে। অসামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল তৈরি করেছে সেনাবাহিনী। নির্বাচনের পরে সেনাবাহিনী কত দিন মাঠে থাকবে, এটা একান্তই সরকারের সিদ্ধান্ত।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম জানান, সেনাপ্রধান জনগণের মনে আস্থার বার্তা দিয়েছেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যা যা করা প্রয়োজন, অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী আইনের মধ্যে থেকে সব করবে। নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধে সেনাবাহিনী প্রস্তুত। সোশ্যাল মিডিয়া এবং অপপ্রচার এই নির্বাচনে প্রদান হুমকি। সাইবার নজরদারি অব্যাহত আছে।