ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার এমপিকে চেয়ার উপহার দিলেন হাসিনার জন্য নৌকা খচিত চেয়ার তৈরি করা সেই কাঠমিস্ত্রি

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:২১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

এবার হবিগঞ্জের মাধবপুরে আবারও আলোচনায় স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি হীরেন্দ্র চন্দ্র সরকারযিনি এলাকাজুড়েহিরোনামেই পরিচিত। এবার হবিগঞ্জ৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে নিজ হাতে তৈরি একটি দৃষ্টিনন্দন কাঠের চেয়ার উপহার দিয়েছেন তিনি। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) গণসংবর্ধনার এক অনুষ্ঠানে উপজেলার আদাঐর গ্রামের বাসিন্দা হীরেন্দ্র চন্দ্র সরকার দৃষ্টিনন্দন ওই চেয়ারটি উপহার দেন নবনির্বাচিত এমপি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সালকে।

জানা গেছে, এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসে প্রায় তিন মাসের শ্রমে নৌকা প্রতীক খচিত একটি নান্দনিক চেয়ার তৈরি করেছিলেন হিরো। সেটি তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেওয়ার উদ্দেশ্যে বানান। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে খবরটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছে এবং গ্রহণের প্রস্তুতিও চলছিল। তবে পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সেই উদ্যোগ আর বাস্তবায়িত হয়নি।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নও উঠেছে। কেউ বলছেন, আলোচনায় থাকা বা ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্য থাকতে পারে। আবার অনেকে মনে করছেন, এটি কেবলই ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের একটি সৃজনশীল উদ্যোগ। হীরেন্দ্র চন্দ্র সরকার জানান, তার বাড়ির ওপর দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পল্লী বিদ্যুতের একটি ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক লাইন চলে গেছে। এতে তার পরিবার চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বহু চেষ্টা করেও সেটি অপসারণ করতে না পেরে তিনি ভেবেছেন, উচ্চপর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।

মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা একরাম বলেন, ‘এমপি বিএনপি থেকে নির্বাচিত হলেও তিনি সবার প্রতিনিধি। ভালোবেসে যে কেউ তাকে উপহার দিতেই পারে। আমাদের নতুন এমপি তেলবাজি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে সবাইকে নিয়ে কাজ করছেন।পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম ইউসুফ খান বলেন, ‘গ্রাহক লিখিত আবেদন করলে বিধি অনুযায়ী বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয়দের মতে, কাঠের শিল্পকর্মের মাধ্যমে নিজের বক্তব্য তুলে ধরার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ইতোমধ্যেই মাধবপুরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শিক্ষা ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

এবার এমপিকে চেয়ার উপহার দিলেন হাসিনার জন্য নৌকা খচিত চেয়ার তৈরি করা সেই কাঠমিস্ত্রি

আপডেট সময় ১০:২১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার হবিগঞ্জের মাধবপুরে আবারও আলোচনায় স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি হীরেন্দ্র চন্দ্র সরকারযিনি এলাকাজুড়েহিরোনামেই পরিচিত। এবার হবিগঞ্জ৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে নিজ হাতে তৈরি একটি দৃষ্টিনন্দন কাঠের চেয়ার উপহার দিয়েছেন তিনি। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) গণসংবর্ধনার এক অনুষ্ঠানে উপজেলার আদাঐর গ্রামের বাসিন্দা হীরেন্দ্র চন্দ্র সরকার দৃষ্টিনন্দন ওই চেয়ারটি উপহার দেন নবনির্বাচিত এমপি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সালকে।

জানা গেছে, এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসে প্রায় তিন মাসের শ্রমে নৌকা প্রতীক খচিত একটি নান্দনিক চেয়ার তৈরি করেছিলেন হিরো। সেটি তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেওয়ার উদ্দেশ্যে বানান। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে খবরটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছে এবং গ্রহণের প্রস্তুতিও চলছিল। তবে পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সেই উদ্যোগ আর বাস্তবায়িত হয়নি।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নও উঠেছে। কেউ বলছেন, আলোচনায় থাকা বা ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্য থাকতে পারে। আবার অনেকে মনে করছেন, এটি কেবলই ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের একটি সৃজনশীল উদ্যোগ। হীরেন্দ্র চন্দ্র সরকার জানান, তার বাড়ির ওপর দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পল্লী বিদ্যুতের একটি ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক লাইন চলে গেছে। এতে তার পরিবার চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বহু চেষ্টা করেও সেটি অপসারণ করতে না পেরে তিনি ভেবেছেন, উচ্চপর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।

মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা একরাম বলেন, ‘এমপি বিএনপি থেকে নির্বাচিত হলেও তিনি সবার প্রতিনিধি। ভালোবেসে যে কেউ তাকে উপহার দিতেই পারে। আমাদের নতুন এমপি তেলবাজি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে সবাইকে নিয়ে কাজ করছেন।পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম ইউসুফ খান বলেন, ‘গ্রাহক লিখিত আবেদন করলে বিধি অনুযায়ী বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয়দের মতে, কাঠের শিল্পকর্মের মাধ্যমে নিজের বক্তব্য তুলে ধরার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ইতোমধ্যেই মাধবপুরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।