ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে হাওরের বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে জমির ফসল

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

এবার পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে সুনামগঞ্জের মধ্যনগরের ইকরছড়ি (এরনবিল) হাওরের জামখলা খালের বাঁধ ভেঙে জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার হামিদপুর গ্রামের মনাই নদীর পানির চাপে এরনবিলের জামগড়া খালের বাঁধটি ভেঙে গেছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, এই বাঁধের ভেতরে ইকরছড়ি (এরনবিল) হাওর এলাকার হামিদপুর, চান্দালিপাড়া, চাঁনপুর, গড়াকাটা, হরিনাকান্দী, তেলিগাঁও, বাগারপাড়া গ্রামের কৃষকেরা প্রায় ২০০ একর বোরো জমিতে চাষাবাদ করেন। ইতোমধ্যে হাওরের অর্ধেক জমির ধান কাটা হয়েছে। হঠাৎ করে খালের বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।

বংশীকুন্ডা দক্ষিণের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. কামাল মিয়া বলেন, এরনবিল হাওরের জামখলা খালের ওপর বাঁধটি আমরা স্থানীয় লোকজন দিয়ে তৈরি করেছি। বিলের ভেতরে ৬৭টি গ্রামের মানুষ ধান চাষ করেন। অনেকেই ধান কেটে নিয়েছেন, আবার কিছু কৃষকের ধান রয়েছে। হয়তো শতাধিক বিঘা জমির ধান তলিয়ে যেতে পারে। তবে লোকজন ধান কেটে তোলার চেষ্টা করছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাওলাদার বলেন, মধ্যনগর উপজেলার একটি জলমহালের বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকছে বলে জানা গেছে। এটি বোরো ফসলরক্ষার কোনো বাঁধ নয়। জলমহালের তীরে হয়তো কিছু ধান থাকতে পারে।

মধ্যনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জয় ঘোষ বলেন, এটি বোরো ফসলরক্ষার কোনো বাঁধ নয়। ইকরছড়ি বিলের খালের ওপর দেওয়া একটি গ্রামীণ মাটির রাস্তা। নেত্রকোনার দুর্গাপুর এলাকার পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে এটি ভেঙে গেছে। যেখানে পানি ঢুকছে সেটি প্রকৃতপক্ষে জলমহাল। জলমহালের তীরে ১১৪ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে ৫০ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়ে গেছে। পানিতে হয়তো ৫১০ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে যেতে পারে। তবে স্থানীয় লোকজন ধান কেটে তোলা ও বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক বাজিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতেই গণপিটুনি খেলেন যুবলীগ কর্মী

সুনামগঞ্জে হাওরের বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে জমির ফসল

আপডেট সময় ১২:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

এবার পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে সুনামগঞ্জের মধ্যনগরের ইকরছড়ি (এরনবিল) হাওরের জামখলা খালের বাঁধ ভেঙে জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার হামিদপুর গ্রামের মনাই নদীর পানির চাপে এরনবিলের জামগড়া খালের বাঁধটি ভেঙে গেছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, এই বাঁধের ভেতরে ইকরছড়ি (এরনবিল) হাওর এলাকার হামিদপুর, চান্দালিপাড়া, চাঁনপুর, গড়াকাটা, হরিনাকান্দী, তেলিগাঁও, বাগারপাড়া গ্রামের কৃষকেরা প্রায় ২০০ একর বোরো জমিতে চাষাবাদ করেন। ইতোমধ্যে হাওরের অর্ধেক জমির ধান কাটা হয়েছে। হঠাৎ করে খালের বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।

বংশীকুন্ডা দক্ষিণের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. কামাল মিয়া বলেন, এরনবিল হাওরের জামখলা খালের ওপর বাঁধটি আমরা স্থানীয় লোকজন দিয়ে তৈরি করেছি। বিলের ভেতরে ৬৭টি গ্রামের মানুষ ধান চাষ করেন। অনেকেই ধান কেটে নিয়েছেন, আবার কিছু কৃষকের ধান রয়েছে। হয়তো শতাধিক বিঘা জমির ধান তলিয়ে যেতে পারে। তবে লোকজন ধান কেটে তোলার চেষ্টা করছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাওলাদার বলেন, মধ্যনগর উপজেলার একটি জলমহালের বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকছে বলে জানা গেছে। এটি বোরো ফসলরক্ষার কোনো বাঁধ নয়। জলমহালের তীরে হয়তো কিছু ধান থাকতে পারে।

মধ্যনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জয় ঘোষ বলেন, এটি বোরো ফসলরক্ষার কোনো বাঁধ নয়। ইকরছড়ি বিলের খালের ওপর দেওয়া একটি গ্রামীণ মাটির রাস্তা। নেত্রকোনার দুর্গাপুর এলাকার পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে এটি ভেঙে গেছে। যেখানে পানি ঢুকছে সেটি প্রকৃতপক্ষে জলমহাল। জলমহালের তীরে ১১৪ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে ৫০ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়ে গেছে। পানিতে হয়তো ৫১০ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে যেতে পারে। তবে স্থানীয় লোকজন ধান কেটে তোলা ও বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা করছেন।