ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্মার্টফোনের মতো চার্জ লাগবে ২০২৬ বিশ্বকাপ বলে !

ফুটবলের ইতিহাসে নতুন এক যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। প্রযুক্তিনির্ভর এই আসরে ব্যবহৃত হবে অত্যাধুনিক ‘কানেক্টেড বল’, যা কার্যত স্মার্টফোনের মতোই চার্জ দিতে হবে নির্দিষ্ট সময় পরপর।

ফিফা ও প্রযুক্তি অংশীদারদের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই বিশেষ বলের ভেতরে থাকবে সেন্সর ও ট্র্যাকিং প্রযুক্তি, যা রিয়েল-টাইমে বলের গতি, অবস্থান ও স্পর্শের তথ্য সরবরাহ করবে। অফসাইড শনাক্তকরণ, গোললাইন প্রযুক্তি এবং ম্যাচ বিশ্লেষণে এসব তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, বলের ভেতরে থাকা ইলেকট্রনিক সেন্সর সচল রাখতে নির্দিষ্ট সময় পর চার্জ দিতে হবে। ফলে ম্যাচের বাইরেও বলগুলোর জন্য থাকবে আলাদা চার্জিং ব্যবস্থা। এ কারণে অনেকেই মজা করে বলছেন, “বিশ্বকাপের বলও এখন স্মার্টফোনের কাতারে চলে গেল!”

ফিফা জানিয়েছে, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও খেলার স্বাভাবিক গতি ও বলের পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব পড়বে না। বরং রেফারিংয়ের নির্ভুলতা বৃদ্ধি এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কমিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

স্মার্টফোনের মতো চার্জ লাগবে ২০২৬ বিশ্বকাপ বলে !

আপডেট সময় ১২:১৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ফুটবলের ইতিহাসে নতুন এক যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। প্রযুক্তিনির্ভর এই আসরে ব্যবহৃত হবে অত্যাধুনিক ‘কানেক্টেড বল’, যা কার্যত স্মার্টফোনের মতোই চার্জ দিতে হবে নির্দিষ্ট সময় পরপর।

ফিফা ও প্রযুক্তি অংশীদারদের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই বিশেষ বলের ভেতরে থাকবে সেন্সর ও ট্র্যাকিং প্রযুক্তি, যা রিয়েল-টাইমে বলের গতি, অবস্থান ও স্পর্শের তথ্য সরবরাহ করবে। অফসাইড শনাক্তকরণ, গোললাইন প্রযুক্তি এবং ম্যাচ বিশ্লেষণে এসব তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, বলের ভেতরে থাকা ইলেকট্রনিক সেন্সর সচল রাখতে নির্দিষ্ট সময় পর চার্জ দিতে হবে। ফলে ম্যাচের বাইরেও বলগুলোর জন্য থাকবে আলাদা চার্জিং ব্যবস্থা। এ কারণে অনেকেই মজা করে বলছেন, “বিশ্বকাপের বলও এখন স্মার্টফোনের কাতারে চলে গেল!”

ফিফা জানিয়েছে, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও খেলার স্বাভাবিক গতি ও বলের পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব পড়বে না। বরং রেফারিংয়ের নির্ভুলতা বৃদ্ধি এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কমিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।