ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জকে মানচিত্র থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জামায়াত প্রার্থীর, কুষ্টিয়ায় বিক্ষোভে উত্তাল সমাবেশ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:১২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫
  • ৬২২ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জকে “অভিশপ্ত জেলা” আখ্যা দিয়ে জেলার নাম ও সীমানা পরিবর্তনের দাবি তুলেছেন আলোচিত ইসলামী বক্তা ও কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি আমির হামজা। গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) কুষ্টিয়ায় জামায়াত আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এ দাবি তোলেন তিনি।

তিনি বলেন, “গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন নয়, এই জেলাকে আশপাশের চারটি জেলায় ভাগ করে দিলে ভালো হয়—নড়াইল, ফরিদপুর, মাদারিপুর ও বরিশালে ভাগ করে দেওয়া হোক। তিনটি আসন তিন জেলায় দিয়ে দিলেই তো জেলা শেষ। এই জেলা মানচিত্রে না থাকাই ভালো। এটা একটা অভিশপ্ত জেলা।”

আমির হামজা আরও বলেন, “জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা মানে দেশের ১৮ কোটি মানুষের ওপরে হামলা। আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছি, তা পেরিয়ে যাচ্ছে। এরপরও ব্যবস্থা না নিলে আমরা ধরে নেব, গোপালগঞ্জের দায়িত্বশীলরাই হামলায় জড়িত।”

সমাবেশে জেলা জামায়াতের নেতারা গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবকে আইনি রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান। তাদের ভাষ্য, “অধ্যাদেশ জারি করে গোপালগঞ্জের নতুন নামকরণ করতে হবে।” পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নেতারা।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমির মো. আব্দুল গফুর, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক সুজা উদ্দিনসহ জামায়াতের অন্যান্য নেতাকর্মীরা। বক্তৃতায় তারা দাবি করেন, গোপালগঞ্জে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার দায় সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

গোপালগঞ্জকে মানচিত্র থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জামায়াত প্রার্থীর, কুষ্টিয়ায় বিক্ষোভে উত্তাল সমাবেশ

আপডেট সময় ১২:১২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

গোপালগঞ্জকে “অভিশপ্ত জেলা” আখ্যা দিয়ে জেলার নাম ও সীমানা পরিবর্তনের দাবি তুলেছেন আলোচিত ইসলামী বক্তা ও কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি আমির হামজা। গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) কুষ্টিয়ায় জামায়াত আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এ দাবি তোলেন তিনি।

তিনি বলেন, “গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন নয়, এই জেলাকে আশপাশের চারটি জেলায় ভাগ করে দিলে ভালো হয়—নড়াইল, ফরিদপুর, মাদারিপুর ও বরিশালে ভাগ করে দেওয়া হোক। তিনটি আসন তিন জেলায় দিয়ে দিলেই তো জেলা শেষ। এই জেলা মানচিত্রে না থাকাই ভালো। এটা একটা অভিশপ্ত জেলা।”

আমির হামজা আরও বলেন, “জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা মানে দেশের ১৮ কোটি মানুষের ওপরে হামলা। আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছি, তা পেরিয়ে যাচ্ছে। এরপরও ব্যবস্থা না নিলে আমরা ধরে নেব, গোপালগঞ্জের দায়িত্বশীলরাই হামলায় জড়িত।”

সমাবেশে জেলা জামায়াতের নেতারা গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবকে আইনি রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান। তাদের ভাষ্য, “অধ্যাদেশ জারি করে গোপালগঞ্জের নতুন নামকরণ করতে হবে।” পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নেতারা।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমির মো. আব্দুল গফুর, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক সুজা উদ্দিনসহ জামায়াতের অন্যান্য নেতাকর্মীরা। বক্তৃতায় তারা দাবি করেন, গোপালগঞ্জে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার দায় সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।