ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বক্তব্যে বিতর্ক

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬২০ বার পড়া হয়েছে

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

গত শুক্রবার জেলা শহরের নিজ বাসভবনে নেতা–কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর জামায়াতের লোক। বিভিন্ন আদালত ও উচ্চ আদালতের বিচারক যারা হচ্ছে, তারাও জামায়াতের লোক। আর আমরা কী করছি? লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, ফেরিঘাট দখল করছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি জামায়াতের বদনাম করছি না। আমি শুধু দুটি জিনিসের তফাত দেখালাম। শুধু নেতা হলেই হবে না, নেতার কোয়ালিটি থাকতে হবে। নেতা যদি মনে করে চান্দাবাজি করাই তার কাজ, দখলবাজি করাই তার কাজ, তাহলে নেতৃত্ব দেবে কখন?”

এর আগে মঙ্গলবার দুমকি উপজেলার এক সভায় তিনি দাবি করেন, “পটুয়াখালীতে এখন আর আওয়ামী লীগ নেই; চাঁদা দিয়ে সব বিএনপি হয়ে গেছে। ২০২৪ সালের আগস্ট–পরবর্তী সময়ে যারা চাঁদাবাজি, দখলবাজি, লুটপাট করেছে, তাদের নাম-ঠিকানা-ছবিসহ গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আছে। সময়মতো সব প্রকাশ করা হবে।”

তার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী আশফাকুর রহমান বলেন, “লঞ্চঘাট, বাসটার্মিনাল ইজারার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তিনি এক–এগারোর সময়ও দলের বিরুদ্ধে আত্মঘাতী বক্তব্য দিয়েছিলেন, এখনো তাই করছেন।”

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান কোনো মন্তব্য করতে রাজি না হলেও জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার বলেন, “এ ধরনের বক্তব্যের কারণে তিনি এখন মানুষের কাছে হাসির পাত্র হয়েছেন।”

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরব যুদ্ধে জড়ালে ব্যবহার হবে পাকিস্তানের পরমাণু!

বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বক্তব্যে বিতর্ক

আপডেট সময় ০৯:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

গত শুক্রবার জেলা শহরের নিজ বাসভবনে নেতা–কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর জামায়াতের লোক। বিভিন্ন আদালত ও উচ্চ আদালতের বিচারক যারা হচ্ছে, তারাও জামায়াতের লোক। আর আমরা কী করছি? লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, ফেরিঘাট দখল করছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি জামায়াতের বদনাম করছি না। আমি শুধু দুটি জিনিসের তফাত দেখালাম। শুধু নেতা হলেই হবে না, নেতার কোয়ালিটি থাকতে হবে। নেতা যদি মনে করে চান্দাবাজি করাই তার কাজ, দখলবাজি করাই তার কাজ, তাহলে নেতৃত্ব দেবে কখন?”

এর আগে মঙ্গলবার দুমকি উপজেলার এক সভায় তিনি দাবি করেন, “পটুয়াখালীতে এখন আর আওয়ামী লীগ নেই; চাঁদা দিয়ে সব বিএনপি হয়ে গেছে। ২০২৪ সালের আগস্ট–পরবর্তী সময়ে যারা চাঁদাবাজি, দখলবাজি, লুটপাট করেছে, তাদের নাম-ঠিকানা-ছবিসহ গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আছে। সময়মতো সব প্রকাশ করা হবে।”

তার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী আশফাকুর রহমান বলেন, “লঞ্চঘাট, বাসটার্মিনাল ইজারার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তিনি এক–এগারোর সময়ও দলের বিরুদ্ধে আত্মঘাতী বক্তব্য দিয়েছিলেন, এখনো তাই করছেন।”

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান কোনো মন্তব্য করতে রাজি না হলেও জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার বলেন, “এ ধরনের বক্তব্যের কারণে তিনি এখন মানুষের কাছে হাসির পাত্র হয়েছেন।”