ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার লোভে ২০০ কোটি টাকার চেক, এনআইসিআরএইচের সাবেক পরিচালকের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযান

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬০২ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার আশায় এক সমন্বয়ক গ্রুপকে ২০০ কোটি টাকার চেক ও নগদ অর্থ দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ দল এ অভিযান শুরু করে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার আশায় ডা. মোস্তফা এক সমন্বয়ক গ্রুপকে ১০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক দেন। গ্রুপটি নিজেদের যমুনা থেকে আগত হিসেবে পরিচয় দেয়।

লেনদেনের সময় আরিফুল ইসলাম নামে একজন মধ্যস্থতাকারী ডা. মোস্তফার চেম্বার থেকে চেকগুলো সংগ্রহ করেন। তিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই হিসেবে পরিচয় দেন। তবে আরেফিন সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও ফোনে যোগাযোগ রাখেন।

অন্যদিকে গণমাধ্যমে ডা. গোলাম মোস্তফা দাবি করেছেন, তাকে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ও জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর করানো হয়েছে। তার ভাষায়, “এগুলো সিকিউরিটি চেক ছিল। তারা যখন অফিসে আসে তখন সম্ভবত দুজনের হাতেই অস্ত্র ছিল।”

দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলছে। প্রমাণ মিললে ডা. গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তুরস্কে কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি ক্বারীর বিশ্বজয়

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার লোভে ২০০ কোটি টাকার চেক, এনআইসিআরএইচের সাবেক পরিচালকের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় ১২:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার আশায় এক সমন্বয়ক গ্রুপকে ২০০ কোটি টাকার চেক ও নগদ অর্থ দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ দল এ অভিযান শুরু করে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার আশায় ডা. মোস্তফা এক সমন্বয়ক গ্রুপকে ১০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক দেন। গ্রুপটি নিজেদের যমুনা থেকে আগত হিসেবে পরিচয় দেয়।

লেনদেনের সময় আরিফুল ইসলাম নামে একজন মধ্যস্থতাকারী ডা. মোস্তফার চেম্বার থেকে চেকগুলো সংগ্রহ করেন। তিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই হিসেবে পরিচয় দেন। তবে আরেফিন সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও ফোনে যোগাযোগ রাখেন।

অন্যদিকে গণমাধ্যমে ডা. গোলাম মোস্তফা দাবি করেছেন, তাকে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ও জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর করানো হয়েছে। তার ভাষায়, “এগুলো সিকিউরিটি চেক ছিল। তারা যখন অফিসে আসে তখন সম্ভবত দুজনের হাতেই অস্ত্র ছিল।”

দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলছে। প্রমাণ মিললে ডা. গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা হতে পারে।