ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহীদ ডা. মিলনের আত্মদান গণতন্ত্রের মাইলফলক: তারেক রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৫:৪৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬০৫ বার পড়া হয়েছে

৯০–এর স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের অন্যতম সাহসী মুখ শহীদ ডা. শামসুল আলম মিলনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ডা. মিলনের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে এক অনিবার্য মোড় তৈরি করেছিল।

বুধবার ডা. মিলন দিবস উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমে দেওয়া এক বাণীতে তারেক রহমান বলেন, ডা. মিলনের রক্তঝরা মৃত্যু নয় বছরের দীর্ঘ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে ধাবিত করেছিল। গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর অটল অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ডা. মিলন গণতন্ত্রের বিজয় নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর সেই আত্মদানেই দেশে স্বৈরাচারের পতন ঘটে এবং বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শুরু হয় গণতন্ত্রের নবযাত্রা।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান অভিযোগ করেন, পতিত আওয়ামী সরকারের ১৬ বছরে মানুষের সব অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণরূপে দমন করা হয়েছিল। ফলে জনগণ তাদের মালিকানা হারিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র–জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিজয়ে দেশ নতুন স্বাধীনতা লাভ করলেও দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশি–বিদেশি চক্রান্ত এখনো চলমান। তবে জাতীয় ঐক্য দৃঢ় থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।

তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক যাত্রায় সবসময় প্রেরণা জোগাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশেষ অভিযানে বস্তিতে মিলল সুড়ঙ্গপথ, ভেতরে বিলাসবহুল ঘর

শহীদ ডা. মিলনের আত্মদান গণতন্ত্রের মাইলফলক: তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

৯০–এর স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের অন্যতম সাহসী মুখ শহীদ ডা. শামসুল আলম মিলনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ডা. মিলনের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে এক অনিবার্য মোড় তৈরি করেছিল।

বুধবার ডা. মিলন দিবস উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমে দেওয়া এক বাণীতে তারেক রহমান বলেন, ডা. মিলনের রক্তঝরা মৃত্যু নয় বছরের দীর্ঘ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে ধাবিত করেছিল। গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর অটল অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ডা. মিলন গণতন্ত্রের বিজয় নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর সেই আত্মদানেই দেশে স্বৈরাচারের পতন ঘটে এবং বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শুরু হয় গণতন্ত্রের নবযাত্রা।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান অভিযোগ করেন, পতিত আওয়ামী সরকারের ১৬ বছরে মানুষের সব অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণরূপে দমন করা হয়েছিল। ফলে জনগণ তাদের মালিকানা হারিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র–জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিজয়ে দেশ নতুন স্বাধীনতা লাভ করলেও দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশি–বিদেশি চক্রান্ত এখনো চলমান। তবে জাতীয় ঐক্য দৃঢ় থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।

তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক যাত্রায় সবসময় প্রেরণা জোগাবে।