ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুর কারাগারে থুথু ফেলার ঘটনায় সংঘর্ষ, একজন হাজতি নিহত

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৭:২১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৫৬ বার পড়া হয়েছে

জামালপুর জেলা কারাগারে থুথু ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই হাজতির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মো. পাগলা হযরত (২৫) মারা গেছেন। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত হযরত দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চেংটিমারি গ্রামের মো. ইমান হোসেনের ছেলে। তিনি বকশীগঞ্জ থানার একটি মামলায় আসামি হয়ে কারাগারে ছিলেন। অপর হাজতি রহিদুর মিয়া (৪০) বকশীগঞ্জের কামালপুর বালুরগাঁও গ্রামের মৃত ছামিউল হকের ছেলে।

জামালপুর জেলা কারাগারের সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে কারাগারের ভেতরে হযরত ও রহিদুর মিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি ও তর্কাতর্কি শুরু হয়। এক পর্যায়ে রহিদুর মিয়া শৌচাগারের দরজার একটি কাঠের টুকরা দিয়ে হযরতের মাথায় কয়েকবার আঘাত করেন। আহত হযরতকে কারারক্ষী ও অন্যান্য হাজতিরা উদ্ধার করে প্রথমে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে, পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এবং শেষ পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

জামালপুর জেলা কারাগারের লিপি রানী সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অপর হাজতি রহিদুর মিয়া এখনও জামালপুর কারাগারে রয়েছেন।


 

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের পোস্ট

জামালপুর কারাগারে থুথু ফেলার ঘটনায় সংঘর্ষ, একজন হাজতি নিহত

আপডেট সময় ০৭:২১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

জামালপুর জেলা কারাগারে থুথু ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই হাজতির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মো. পাগলা হযরত (২৫) মারা গেছেন। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত হযরত দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চেংটিমারি গ্রামের মো. ইমান হোসেনের ছেলে। তিনি বকশীগঞ্জ থানার একটি মামলায় আসামি হয়ে কারাগারে ছিলেন। অপর হাজতি রহিদুর মিয়া (৪০) বকশীগঞ্জের কামালপুর বালুরগাঁও গ্রামের মৃত ছামিউল হকের ছেলে।

জামালপুর জেলা কারাগারের সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে কারাগারের ভেতরে হযরত ও রহিদুর মিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি ও তর্কাতর্কি শুরু হয়। এক পর্যায়ে রহিদুর মিয়া শৌচাগারের দরজার একটি কাঠের টুকরা দিয়ে হযরতের মাথায় কয়েকবার আঘাত করেন। আহত হযরতকে কারারক্ষী ও অন্যান্য হাজতিরা উদ্ধার করে প্রথমে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে, পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এবং শেষ পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

জামালপুর জেলা কারাগারের লিপি রানী সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অপর হাজতি রহিদুর মিয়া এখনও জামালপুর কারাগারে রয়েছেন।