ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজায় নতুন নিরাপত্তা কাঠামো গড়তে মিসরে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন কয়েক শ ফিলিস্তিনি পুলিশ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৩:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৪২ বার পড়া হয়েছে

যুদ্ধ–পরবর্তী গাজা উপত্যকার জন্য নতুন নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতে মিসরে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন কয়েক শ ফিলিস্তিনি পুলিশ সদস্য। ফিলিস্তিনের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে।

মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি গত আগস্টে জানিয়েছিলেন—গাজার জন্য প্রায় পাঁচ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কায়রোর। তারই অংশ হিসেবে মার্চে প্রথম দফায় পাঁচ শতাধিক সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরপর সেপ্টেম্বর থেকে দুই মাসব্যাপী নতুন প্রশিক্ষণ পর্ব শুরু হয়েছে, যেখানে আরও কয়েক শ কর্মী অংশ নিচ্ছেন।

ফিলিস্তিনের ওই কর্মকর্তা জানান, নতুন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হবেন শুধু গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা। তাদের বেতন দেবে পশ্চিম তীরের রামাল্লাভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ
২৬ বছর বয়সী এক প্রশিক্ষণার্থী বলেন—
“আমরা চাই যুদ্ধের অবসান হোক। দেশ ও জনগণকে সেবা করার অপেক্ষায় আছি। এই প্রশিক্ষণ আমাকে আশাবাদী করেছে।”

তাঁর দাবি, নতুন বাহিনী হবে স্বাধীন—কোনো বাহিরের চাপের কাছে নয়, শুধুই ফিলিস্তিনের স্বার্থে কাজ করবে

নাম প্রকাশ না করা এক লেফটেন্যান্ট জানান, সীমান্ত নজরদারির জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর ইসরায়েল যে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালিয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনিদের বিশাল ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণে।

ইসরায়েলের দাবি—হামাসের হামলায় ১,২২১ জন নিহত হয়েছিল। প্রতিশোধে গাজায় ইসরায়েলি অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭০ হাজার ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। জাতিসংঘও এই সংখ্যাকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করছে।

কনটেন্ট শুট করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ আল-আমিন, বারডেমে মৃত্যুশয্যায়

গাজায় নতুন নিরাপত্তা কাঠামো গড়তে মিসরে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন কয়েক শ ফিলিস্তিনি পুলিশ

আপডেট সময় ০৩:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

যুদ্ধ–পরবর্তী গাজা উপত্যকার জন্য নতুন নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতে মিসরে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন কয়েক শ ফিলিস্তিনি পুলিশ সদস্য। ফিলিস্তিনের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে।

মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি গত আগস্টে জানিয়েছিলেন—গাজার জন্য প্রায় পাঁচ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কায়রোর। তারই অংশ হিসেবে মার্চে প্রথম দফায় পাঁচ শতাধিক সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরপর সেপ্টেম্বর থেকে দুই মাসব্যাপী নতুন প্রশিক্ষণ পর্ব শুরু হয়েছে, যেখানে আরও কয়েক শ কর্মী অংশ নিচ্ছেন।

ফিলিস্তিনের ওই কর্মকর্তা জানান, নতুন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হবেন শুধু গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা। তাদের বেতন দেবে পশ্চিম তীরের রামাল্লাভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ
২৬ বছর বয়সী এক প্রশিক্ষণার্থী বলেন—
“আমরা চাই যুদ্ধের অবসান হোক। দেশ ও জনগণকে সেবা করার অপেক্ষায় আছি। এই প্রশিক্ষণ আমাকে আশাবাদী করেছে।”

তাঁর দাবি, নতুন বাহিনী হবে স্বাধীন—কোনো বাহিরের চাপের কাছে নয়, শুধুই ফিলিস্তিনের স্বার্থে কাজ করবে

নাম প্রকাশ না করা এক লেফটেন্যান্ট জানান, সীমান্ত নজরদারির জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর ইসরায়েল যে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালিয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনিদের বিশাল ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণে।

ইসরায়েলের দাবি—হামাসের হামলায় ১,২২১ জন নিহত হয়েছিল। প্রতিশোধে গাজায় ইসরায়েলি অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭০ হাজার ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। জাতিসংঘও এই সংখ্যাকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করছে।