ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানলে যুক্তিসঙ্গত শাস্তির বিধান করতে হাইকোর্টের রুল

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:২২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৪৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা | ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মতো সংবেদনশীল অপরাধে কেন আরও কঠোর ও কার্যকর শাস্তির বিধান প্রণয়ন করা হবে না—এ বিষয়ে জানতে চেয়ে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছে। সোমবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর এ রুল দেন।

রুলে আইন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

রিটের পটভূমি

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জনস্বার্থে এ রিটটি দায়ের করেন। রিটে বলা হয়—বর্তমান পেনাল কোড ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মতো গুরুতর অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা নির্ধারিত, যা অপরাধ ঠেকানোর ক্ষেত্রে “অপ্রতুল ও কার্যকরহীন”।

রিটকারীর দাবি, কম শাস্তির সুযোগে কিছু অসাধু ব্যক্তি ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে অশালীন মন্তব্য করতে দ্বিধা করেন না। সাম্প্রতিককালে বাউলশিল্পী আবুল সরকারকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কও রিটে উল্লেখ করা হয়।

রিটকারীর বক্তব্য

অ্যাডভোকেট কিবরিয়া আদালতকে জানান, দেশের কোটি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে রক্ষায় আরও শক্তিশালী আইন প্রয়োজন। প্রয়োজনে সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান আইনেই যুক্ত করতে হবে—যাতে কেউ ধর্মীয় অবমাননার সাহস না পায়।

আদালতের নির্দেশ

হাইকোর্ট বেঞ্চ আইন মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি নিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে মতামত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আদালত প্রশ্ন তুলেছেন—

“ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মতো ইস্যুতে কঠোর ও যুগোপযোগী শাস্তির ব্যবস্থা কেন থাকবে না?”

পরবর্তী ধাপ

আইন মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যার পর বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী শুনানি হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই রুল দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় নতুন আইন বা সংশোধনের দ্বার উন্মুক্ত করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়ার সুখবর দিলো কাতার

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানলে যুক্তিসঙ্গত শাস্তির বিধান করতে হাইকোর্টের রুল

আপডেট সময় ০২:২২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা | ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মতো সংবেদনশীল অপরাধে কেন আরও কঠোর ও কার্যকর শাস্তির বিধান প্রণয়ন করা হবে না—এ বিষয়ে জানতে চেয়ে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছে। সোমবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর এ রুল দেন।

রুলে আইন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

রিটের পটভূমি

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জনস্বার্থে এ রিটটি দায়ের করেন। রিটে বলা হয়—বর্তমান পেনাল কোড ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মতো গুরুতর অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা নির্ধারিত, যা অপরাধ ঠেকানোর ক্ষেত্রে “অপ্রতুল ও কার্যকরহীন”।

রিটকারীর দাবি, কম শাস্তির সুযোগে কিছু অসাধু ব্যক্তি ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে অশালীন মন্তব্য করতে দ্বিধা করেন না। সাম্প্রতিককালে বাউলশিল্পী আবুল সরকারকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কও রিটে উল্লেখ করা হয়।

রিটকারীর বক্তব্য

অ্যাডভোকেট কিবরিয়া আদালতকে জানান, দেশের কোটি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে রক্ষায় আরও শক্তিশালী আইন প্রয়োজন। প্রয়োজনে সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান আইনেই যুক্ত করতে হবে—যাতে কেউ ধর্মীয় অবমাননার সাহস না পায়।

আদালতের নির্দেশ

হাইকোর্ট বেঞ্চ আইন মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি নিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে মতামত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আদালত প্রশ্ন তুলেছেন—

“ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মতো ইস্যুতে কঠোর ও যুগোপযোগী শাস্তির ব্যবস্থা কেন থাকবে না?”

পরবর্তী ধাপ

আইন মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যার পর বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী শুনানি হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই রুল দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় নতুন আইন বা সংশোধনের দ্বার উন্মুক্ত করতে পারে।