ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আমি পুলিশ, মারলেও আমাদের বিচার নাই!’

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:৩৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৭২ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ছুটিতে বাড়ি এসে নিজের চাচাতো ভাইকে নৃশংসভাবে কামড়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে আরিফুল ইসলাম নামে পুলিশের এক এএসআই’র বিরুদ্ধে। গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত মোফাজ্জল হোসেনকে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ঘাগড়া গ্রামের ছফির উদ্দিনের ছেলে। আর অভিযুক্ত এএসআই আরিফুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধা ফয়েজ উদ্দিনের বড় ছেলে এবং বর্তমানে শরীয়তপুর জেলা পুলিশে কর্মরত।

এ ঘটনার পর পুলিশ সদস্য আরিফুল ইসলামের স্বজনরা আহতের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে গভীর রাতে মোফাজ্জল হোসেনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান এএসআই আরিফুল। তিনি পিটিয়ে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে কামড়ে মোফাজ্জলকে গুরুতর জখম করেন। পরে আশপাশের লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন।

আহত মোফাজ্জল জানান,
“চাকরিতে ঢোকার পর থেকেই আরিফুল ও তার স্বজনরা এলাকায় আধিপত্য দেখায়। আমাকে মারার সময় সে বলে— ‘আমি পুলিশ, মারলেও আমাদের কোনো বিচার নাই।’ আমি প্রশাসনের কাছে এর সঠিক বিচার চাই।”

ঘটনার পর মোফাজ্জলের বড় বোন সালমা আক্তার সোমবার বিকেলে পাকুন্দিয়া থানায় একটি মামলার এজাহার জমা দিয়েছেন।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. আরিফ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “এ ঘটনায় একজন অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক পাচাররোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

‘আমি পুলিশ, মারলেও আমাদের বিচার নাই!’

আপডেট সময় ০৯:৩৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ছুটিতে বাড়ি এসে নিজের চাচাতো ভাইকে নৃশংসভাবে কামড়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে আরিফুল ইসলাম নামে পুলিশের এক এএসআই’র বিরুদ্ধে। গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত মোফাজ্জল হোসেনকে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ঘাগড়া গ্রামের ছফির উদ্দিনের ছেলে। আর অভিযুক্ত এএসআই আরিফুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধা ফয়েজ উদ্দিনের বড় ছেলে এবং বর্তমানে শরীয়তপুর জেলা পুলিশে কর্মরত।

এ ঘটনার পর পুলিশ সদস্য আরিফুল ইসলামের স্বজনরা আহতের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে গভীর রাতে মোফাজ্জল হোসেনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান এএসআই আরিফুল। তিনি পিটিয়ে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে কামড়ে মোফাজ্জলকে গুরুতর জখম করেন। পরে আশপাশের লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন।

আহত মোফাজ্জল জানান,
“চাকরিতে ঢোকার পর থেকেই আরিফুল ও তার স্বজনরা এলাকায় আধিপত্য দেখায়। আমাকে মারার সময় সে বলে— ‘আমি পুলিশ, মারলেও আমাদের কোনো বিচার নাই।’ আমি প্রশাসনের কাছে এর সঠিক বিচার চাই।”

ঘটনার পর মোফাজ্জলের বড় বোন সালমা আক্তার সোমবার বিকেলে পাকুন্দিয়া থানায় একটি মামলার এজাহার জমা দিয়েছেন।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. আরিফ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “এ ঘটনায় একজন অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”