ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন বিক্ষুব্ধ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার কালীগঞ্জে আয়োজিত এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় পরে অংশ নেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে তিনজন নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এবং তারা আলাদাভাবে দলীয় কর্মসূচিও পালন করে আসছিলেন। কিন্তু তাদের বঞ্চিত করে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খানকে ঘোষণা দেওয়ায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। তারা রাশেদ খানকে ‘বহিরাগত’ আখ্যা দিয়ে তার মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানান।
শুক্রবার বিকেলে কালীগঞ্জ শহরের প্রধান বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় পরে প্রায় আধা ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
সমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা সাইফুল ইসলাম ফিরোজ এবং জেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও মনোনয়ন প্রত্যাশী মুর্শিদা জামান বেল্টু। অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন না।
মুর্শিদা জামান বেল্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, ঝিনাইদহ-৪ আসন ধানের শীষের শক্ত ঘাঁটি। কোনো অবস্থাতেই এখানকার নেতাকর্মীরা রাশেদ খানকে মেনে নেবেন না।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ডা. নুরুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম সাইদুল, ইলিয়াস রহমান মিঠু ও ইসরাইল হোসেন জীবন। বক্তারা দাবি করেন, দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের উপেক্ষা করে ভিন্ন দলের প্রার্থী চাপিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়।
সভাপতির বক্তব্যে মুর্শিদা জামান বেল্টু আনুষ্ঠানিকভাবে কালীগঞ্জে রাশেদ খানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। পরে নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন।




















