ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপি সৎ থাকলে, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৭১ বার পড়া হয়েছে

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত আন্তর্জাতিক-বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘এমপি চুরি করলে ঠিকাদার তো করবেই। এমপি যদি সৎ হন তবে কোনো ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নাই চুরি করার।’ সোমবার বিকেলে সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

এদিকে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুশকিল হচ্ছে এমপি রাখে ৫০ ভাগ। এমপির সহযোগীরা রাখে আরও ২৫ ভাগ। এখানেই ৭৫ ভাগ শেষ। আর ঠিকাদার ২৫ ভাগের পাঁচ ভাগ কাজ করে, বাকি পকেটে রাখে। এমপি চুরি করলে তো ঠিকাদার করবেই।’

নির্বাচনে পাস করলে নিজ এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসা নিবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি চিকিৎসা নিয়ে দেখবো কোন ডাক্তার উপস্থিত থাকে না। ওষুধ কেমনে পাওয়া যায় না।’ রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার বাবা নাই, ভাই-বোন নাই। আত্মীয়-স্বজন বিদেশে থাকে। আমি পাস করলেও তারা এসে লাইন দিবে না। আপনারা আমার সব। আপনারাই আমার কাছে আত্মীয়।’

সবাইকে পরিবারের সদস্য হিসেবে সকাল সকাল কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মতবিনিময়কালে রুমিন ফারহানার হাতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কাজের তালিকা তুলে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাকে এমপি নির্বাচিত করলে উন্নয়ন কাজগুলো করে যাবো। আর যদি না পারি তাহলে আপনাদের কাছে আর আসবো না।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

এমপি সৎ থাকলে, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১১:৫৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত আন্তর্জাতিক-বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘এমপি চুরি করলে ঠিকাদার তো করবেই। এমপি যদি সৎ হন তবে কোনো ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নাই চুরি করার।’ সোমবার বিকেলে সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

এদিকে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুশকিল হচ্ছে এমপি রাখে ৫০ ভাগ। এমপির সহযোগীরা রাখে আরও ২৫ ভাগ। এখানেই ৭৫ ভাগ শেষ। আর ঠিকাদার ২৫ ভাগের পাঁচ ভাগ কাজ করে, বাকি পকেটে রাখে। এমপি চুরি করলে তো ঠিকাদার করবেই।’

নির্বাচনে পাস করলে নিজ এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসা নিবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি চিকিৎসা নিয়ে দেখবো কোন ডাক্তার উপস্থিত থাকে না। ওষুধ কেমনে পাওয়া যায় না।’ রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার বাবা নাই, ভাই-বোন নাই। আত্মীয়-স্বজন বিদেশে থাকে। আমি পাস করলেও তারা এসে লাইন দিবে না। আপনারা আমার সব। আপনারাই আমার কাছে আত্মীয়।’

সবাইকে পরিবারের সদস্য হিসেবে সকাল সকাল কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মতবিনিময়কালে রুমিন ফারহানার হাতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কাজের তালিকা তুলে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাকে এমপি নির্বাচিত করলে উন্নয়ন কাজগুলো করে যাবো। আর যদি না পারি তাহলে আপনাদের কাছে আর আসবো না।