ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিঠের চামড়া তুলে দেওয়া হুমকি দেয়া হয়েছে আমাকে: রাশেদ খাঁন

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:২৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৪ বার পড়া হয়েছে

এবার গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদরের চার ইউনিয়ন) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খাঁন বলেছেন, আমাকে হুমকি, পিঠের চামড়া তুলে দেওয়া হুমকি হয়েছে। আমি ষড়যন্ত্রে উত্তর দিতে চাই না। আমি সবার সাথে নিয়ে সামনের দিনে এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই। আমি ঝিনাইদহের সন্তান, সদর উপজেলায় আমার জন্ম। আমি ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে আমার রাজনীতিতে প্রবেশ করা। মঙ্গলবার কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে এ কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার-আন্দোলনে নেতৃত্ব দিই। সে সময় আমি আটক হয়ে ১৮ দিন রিমান্ডে নির্যাতনের স্বীকার হয়। আমরা সে সময় মাথা নত করি নাই, আমরা সফল হয়েছিলাম। পরবর্তীতে এই আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেই। আপনারা দেখেছেন সরকার আন্দোলনের সময়ে আপনারা দিনের পর দিন ঘরে ঘুমাতে পারেননি। একটা সময় ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন হয়েছে। তারেক রহমানের সাথে কথা বলে তার নেতৃত্বে রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলনের কাজ শুরু করি।

ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খাঁন বলেন, তারেক রহমান আমাকে মূল্যায়ন করেছেন। তিনি ঝিনাইদহ-৪ থেকে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। এখানে যারা বিএনপির নেতাকর্মী আছেন আশা রাখবো তারা সবাই আমার সাথে এক হয়ে কাজ করবেন। ধানের শীষকে বিজয়ী করার জন্য কাজ করবেন। আমা প্রত্যাশা মান অভিমান ভুলে এক সাথে কাজ করবেন। খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আমাদের মধ্যে কষ্ট রয়েছে। এখন তারেক রহমান দলের হাল ধরেছেন। এখন দলের আদর্শে যারা বিশ্বাস করেন তারা একসাথে দলকে বিজয়ী করতে কাজ করবেন বলে বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, অনেকে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, হুমকি দিচ্ছেন। আমি কোন উত্তর দিতে চাই না। বা অভিযোগ দিতে চাই না। আমি সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই। সবাইকে বুকে জড়িয়ে নিতে চাই। আমরা সবাই মিলে সামাজিকভাবে মিলেমিশে বসবাস করতে চাই। কেউ বিএনপি করেছে বা অন্য দল করেছে এজন্য কাউকে হয়রানি করা যাবে না। আমরা সবাই মিলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাই। চাঁদাবাজি, জুলুম ও নিপীড়নের রাজনীতি আর চলবে না। তিনি আরো বলেন, অফিস আদালত থেকে দুর্নীতি বন্ধ করা হবে। সরকারী সেবা পেতে কোন অতিরিক্ত অর্থ বা বিশেষ কোন সুপারিশ লাগবে না। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী এসব উন্নয়ন ও সংস্কার করতে চাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা গণহত্যায় অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে ইসরায়েলকে সহায়তা করেছে আরব আমিরাত, গোপন নথি ফাঁস

পিঠের চামড়া তুলে দেওয়া হুমকি দেয়া হয়েছে আমাকে: রাশেদ খাঁন

আপডেট সময় ১১:২৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

এবার গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদরের চার ইউনিয়ন) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খাঁন বলেছেন, আমাকে হুমকি, পিঠের চামড়া তুলে দেওয়া হুমকি হয়েছে। আমি ষড়যন্ত্রে উত্তর দিতে চাই না। আমি সবার সাথে নিয়ে সামনের দিনে এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই। আমি ঝিনাইদহের সন্তান, সদর উপজেলায় আমার জন্ম। আমি ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে আমার রাজনীতিতে প্রবেশ করা। মঙ্গলবার কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে এ কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার-আন্দোলনে নেতৃত্ব দিই। সে সময় আমি আটক হয়ে ১৮ দিন রিমান্ডে নির্যাতনের স্বীকার হয়। আমরা সে সময় মাথা নত করি নাই, আমরা সফল হয়েছিলাম। পরবর্তীতে এই আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেই। আপনারা দেখেছেন সরকার আন্দোলনের সময়ে আপনারা দিনের পর দিন ঘরে ঘুমাতে পারেননি। একটা সময় ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন হয়েছে। তারেক রহমানের সাথে কথা বলে তার নেতৃত্বে রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলনের কাজ শুরু করি।

ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খাঁন বলেন, তারেক রহমান আমাকে মূল্যায়ন করেছেন। তিনি ঝিনাইদহ-৪ থেকে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। এখানে যারা বিএনপির নেতাকর্মী আছেন আশা রাখবো তারা সবাই আমার সাথে এক হয়ে কাজ করবেন। ধানের শীষকে বিজয়ী করার জন্য কাজ করবেন। আমা প্রত্যাশা মান অভিমান ভুলে এক সাথে কাজ করবেন। খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আমাদের মধ্যে কষ্ট রয়েছে। এখন তারেক রহমান দলের হাল ধরেছেন। এখন দলের আদর্শে যারা বিশ্বাস করেন তারা একসাথে দলকে বিজয়ী করতে কাজ করবেন বলে বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, অনেকে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, হুমকি দিচ্ছেন। আমি কোন উত্তর দিতে চাই না। বা অভিযোগ দিতে চাই না। আমি সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই। সবাইকে বুকে জড়িয়ে নিতে চাই। আমরা সবাই মিলে সামাজিকভাবে মিলেমিশে বসবাস করতে চাই। কেউ বিএনপি করেছে বা অন্য দল করেছে এজন্য কাউকে হয়রানি করা যাবে না। আমরা সবাই মিলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাই। চাঁদাবাজি, জুলুম ও নিপীড়নের রাজনীতি আর চলবে না। তিনি আরো বলেন, অফিস আদালত থেকে দুর্নীতি বন্ধ করা হবে। সরকারী সেবা পেতে কোন অতিরিক্ত অর্থ বা বিশেষ কোন সুপারিশ লাগবে না। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী এসব উন্নয়ন ও সংস্কার করতে চাই।